ঢাকা, শুক্রবার,২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

উপসম্পাদকীয়

সুষমা স্বরাজ সমীকরণ

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

২৭ অক্টোবর ২০১৭,শুক্রবার, ১৯:২৫ | আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০১৭,শনিবার, ১৪:০৩


 ড. আবদুল লতিফ মাসুম

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

প্রিন্ট

পররাষ্ট্রনীতির মূলকথা হলো জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ। সব দেশে সব কালে এই নীতি গৃহীত হয়ে আসছে। এক কালের ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরবর্তীকালের প্রধানমন্ত্রী লর্ড পামারস্টোনের বহুল উচ্চারিত উক্তিটির মর্মার্থ এ রকম : ‘Great Britain does not have permanent friend or foe, but has got permanent interest’। ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব যেমন চিরস্থায়ী নাও হতে পারে, তেমনি রাষ্ট্রীয় বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভারত বা আমাদের পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্যও হবে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ। বড় বড় রাষ্ট্রে সরকারের পরিবর্তন হলেও পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন হয় না। কারণ জাতীয় স্বার্থের ব্যাপারে সেসব দেশে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। ভারত একটি আঞ্চলিক শক্তি এবং বড় রাষ্ট্র। তাদের পররাষ্ট্রনীতিও উন্নত রাষ্ট্রগুলোর আদলে অগ্রসর হচ্ছে। ভারতে যখন কংগ্রেসের পরিবর্তে বিজেপি জোট ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলো, তখন কৌটিল্য এর ‘শত্রুর শত্রু মিত্র’ নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশে কেউ কেউ পরিবর্তনের আশা করেছিলেন। নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য তারাও এ পক্ষের সহযোগিতা নিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতা এমন এক জিনিস যা অতীতকে ভুলিয়ে দেয়। আর এটাও সত্য কথা যে, ক্ষমতার বাইরে বসে অনেক কথা বলা যায়; কিন্তু ক্ষমতায় এসে তা হয়তো বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে যারা খবর রাখেন তারা জানেন যে, কূটনীতিকেরাই পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের মূলশক্তি। কূটনীতিকেরা প্রতিটি দেশেই ‘ফরেন সার্ভিস’-এর মতো পেশাগত মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত। রাজনৈতিক নেতৃত্ব পররাষ্ট্রনীতির নির্ধারক। কিন্তু স্থায়ী কূটনীতিকেদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারা জাতীয় স্বার্থের ধারাবাহিকতার সংরক্ষক। ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিশ্লেষকেরা মনে করেন যে ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং প্রতিষ্ঠিত পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নকারীদের সাথে এ ক্ষেত্রে মাত্রাগত এবং কৌশলগত পার্থক্য রয়েছে। সাম্প্রতিক সময় এটি বোধগম্য হয়েছে। এ রকম ব্যতিক্রম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও পরিলক্ষিত হচ্ছে। ট্রাম্প যেখানে কাতার, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার প্রশ্নে লাগামহীন কথাবার্তা বলছে সেখানে মার্কিন ঝানু কূটনীতিকেরা তার লাগাম টেনে ধরার চেষ্টা করছেন। 

ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক প্রাণবন্ত। আমাদের কূটনীতিকদের ভাষায় তা ‘অতি উচ্চ হিমালয় অতিক্রম করেছে’। সেই উচ্চতার এমন মাত্রায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশ সফর করে গেলেন। তিনি যৌথ পরামর্শক কমিশন-জেসিসির বৈঠকের উদ্দেশে ঢাকা আসেন। কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা থেকে নির্ভরশীলতার স্থানটি অনুমান করা যায়। দু’টি বড় ধরনের ইস্যু তার এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। প্রথমত, রোহিঙ্গা ইস্যু। কূটনীতির তুষ্টকর ভাষা দেখে মনে হয় ভারতের মৌলিক ভূমিকার কোনো পরিবর্তন হয়নি। একবারও রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারিত হয়নি। সেখানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর যে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সে প্রশ্নে স্পষ্ট কোনো নিন্দার ভাষা উচ্চারিত হয়নি। বাংলাদেশের অনুরোধ সত্ত্বেও মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগের কোনো প্রতিশ্রুতিও ভারত দেয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রধান বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরে যাওয়ার পক্ষে কথা বলেছেন। প্রকারান্তরে সুষমা স্বরাজ আরাকান রাজ্যে ভারতীয় বিনিয়োগের সাফাই গেয়েছেন। সেখানে স্থায়ী সমাধান হিসেবে তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন। সব কিছু হিসাব-নিকাশ করে রোহিঙ্গা প্রশ্নে অবশেষে চীন, রাশিয়া ও ভারতের অবস্থান সমান্তরাল রয়েছে।
অন্য যে বিষয়টি দ্বিতীয় হলেও এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তথা আগামী নির্বাচন নিয়ে সুষমা স্বরাজ দরাজ গলায় কথা বলেছেন। আর আমরাও কথা বলেছি। একসময়ে ভারতের নেতা জওয়াহেরলাল নেহরু পঞ্চশীলা নীতির কথা বলতেন। পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার এ নীতি ১৯৫৫ সালে অনুষ্ঠিত বান্দুং সম্মেলনে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে গৃহীত হয়। সেই ভারত এখন প্রতিবেশী রাষ্ট্রে হস্তক্ষেপ করার জন্য সেনাবাহিনী পাঠায়, অবরোধ করে, সার্জিকাল স্ট্রাইকের নামে অপরের অভ্যন্তরে আঘাত করে এবং নির্বাচনে বশংবদ দলের নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য বস্তা বস্তা টাকা পাঠায়। যা হোক সেই রামও নেই আর অযোধ্যাও নেই। বিশ্বরাজনীতিতে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

ভারত পৃথিবীর এ অঞ্চলে পরিবর্তনের অনুঘটক বা চেঞ্জ মেকার হতে চায়। নেহরু ইন্দোনেশিয়া থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত ‘মহাভারতের’ স্বপ্ন দেখেছিলেন। হয়তো সে স্বপ্ন এখনো তারা লালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের সমাজকাঠামোয় যে পরিবর্তন এনেছিলেন, তা তাদেরকে ভূ-রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক বলয়ে ’৭৫-পূর্ববর্তী অবস্থানে ফিরিয়ে নেয়। প্রায় ১০ বছর ধরেই স্থিতাবস্থা কায়েম রয়েছে। বাংলাদেশের যেকোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন যাতে ভারতের বিপরীতে না যায়, সে জন্য তারা রণকৌশল নির্ণয় করছে। বিগত বছর ধরে ভারতীয় কূটনীতিকেরা অধিকতর আনুষ্ঠানিক ভাষা প্রয়োগ করে আসছেন। তারা ‘পিপল টু পিপল’ সম্পর্কের কথা বলছেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রীংলা বলেছেন, ভারত শুধু কোনো দল বা সরকারের সাথে বন্ধুত্ব চায় না বরং বাংলাদেশের জনগণের বন্ধুত্ব চায়। সম্ভবত তারা অনুধাবন করছেন যে, বাংলাদেশের জনগণ ক্রমশ ভারতের প্রতি বিরূপ হয়ে উঠছে। তাদের কাছে হয়তো এ খবরও আছে যে, ক্ষমতাসীন সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বোগাস নির্বাচনে ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিং যে নগ্নহস্তক্ষেপের নমুনা দেখিয়েছিলেন, নিশ্চয়ই তা মোদি সরকারের অজানা নয়। তারা হয়তো দ্বিতীয়বার বিব্রতকর অবস্থার মোকাবেলা করতে চায় না। তাই তারা সতর্কতার সাথে রণকৌশল নির্ণয় করছে। সুষমা স্বরাজ যে রাজনৈতিক সমীকরণ প্রদর্শন করেছেন তাতে তাদের সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার প্রয়াস রয়েছে। এক অসমর্থিত খবরে প্রকাশ বিজেপি সরকার বাংলাদেশের প্রধান দুই দলের বাইরে বিকল্প দলের আশা করে। তবে বাস্তবে তা যে সম্ভব নয় তাও তারা অনুভব করে। হাওয়া থেকে পাওয়া সংবাদ বলছে, ক্ষমতাসীন সরকারের বিরোধিতা উপেক্ষা করেই সুষমা স্বরাজ প্রধান বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেন। বেগম খালেদা জিয়া বর্তমান সময়ের কূটনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু লন্ডনে ছিলেন ৯০ দিন। চিকিৎসার পাশাপাশি একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সেখানে কোনো ভারতীয় সংযোগ ঘটে থাকলেও সেটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। এসবের ফলে হয়তো ভারত আগামী নির্বাচনকে প্রহসনমূলক দেখতে চায় না। সুষমা স্বরাজ স্পষ্ট করেই বলেছেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখতে চায় ভারত। নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে ‘সহায়ক পরিবেশ’ নিশ্চিতকরণের দায়িত্বও যে সরকারের তা তিনি জোর দিয়ে বলেন। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার সময়ে সুষমা স্বরাজ এ মনোভঙ্গি প্রকাশ করেন। প্রধান বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রসঙ্গক্রমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ, মৌলিক মানবাধিকারের ক্ষেত্র সঙ্কুচিত হওয়া এবং আগামী নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রসঙ্গটিও তুলেছিলেন। নির্বাচনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেন, তা বাংলাদেশের জনগণই নির্ধারণ করবে। তবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে বলে তিনি আশা করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই বলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন, বিএনপি সহায়ক সরকার প্রস্তাবে সুষমা স্বরাজের সমর্থন পায়নি। আওয়ামী লীগের নেতারা দাবি করেছেন, আগামী নির্বাচন যে শেখ হাসিনার অধীনেই হবে- সুষমা স্বরাজ বিএনপিকে এমন ধারণা দিয়ে গেছেন। অপর দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তারা কারো দয়াদাক্ষিণ্য কামনা করেন না।

সুষমা স্বরাজের এসব মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং পর্যবেক্ষক মহল চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। আওয়ামী লীগ সন্তুষ্ট এই ভেবে যে তিনি শেখ হাসিনার অধীনের নির্বাচনকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। অপর দিকে বিএনপির সন্তুষ্টির কারণ এই যে, সুষমা স্বরাজ একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছেন। এতে ইতঃপূর্বে অনুসৃত কংগ্রেস সরকারের বিপরীত নীতিই দৃশ্যমান হয়েছে। বিএনপির প্রতি এ নীতিভঙ্গি কতটা আন্তরিক অথবা আনুষ্ঠানিক, সে বিতর্কে না গিয়েও বলা যায় ভারত সরকারের এ অবস্থান কৌশলগতভাবে বিএনপির অবস্থানকে শক্ত করবে। বাংলাদেশের জনগণের অবস্থান যদি বিএনপির পক্ষে নির্ধারিত হয়- স্বাভাবিক নির্বাচন হলে যা এক রকম নিশ্চিত- তাহলে ভারতকে অন্তত বিব্রত হতে হবে না। এমনিতেই নিয়ম অনুযায়ী সব পক্ষ ও দলকে আস্থায় রাখা পররাষ্ট্রনীতির সফলতার শর্ত। তারা সে কারণে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রে এ টিম, বি টিম, সি টিম তৈরি করে রাখে। স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘এ রেড ফ্লাগ টু অপোজ এ রেড ফ্লাগ’ নীতি অনুসরণ করত। ভারত স্বাধীনতার প্রাথমিক সময়কালে আওয়ামী লীগের বিপরীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদকে এভাবে গড়ে তুলেছিল বলে ধারণা আছে। উল্লেখ্য, তারা এ দেশে একটি বামপন্থী সরকারের সম্ভাবনা দেখেছিল। তাই তারা সমাজতন্ত্রের স্লোগানকে প্রতিহত করার জন্য বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জিকির তুলেছিল। বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী শক্তির উত্থান দেখে ভারত তাদের সাথে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় আসতে চাচ্ছে। তা ছাড়া দুই দেশের মধ্যে একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক ও ভারতের স্বার্থ-সুবিধে নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপক জনসমর্থিত রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সুষমা স্বরাজ পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো সত্যিকার অর্থে যদি গণতান্ত্রিক নীতিমালা দিয়ে শাসিত হয় তাহলে পারস্পরিক সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকাই স্বাভাবিক।

প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক সরকার তার দেশের জাতীয় স্বার্থে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করবে- এটাই স্বাভাবিক। সুষমা স্বরাজ তাদের জাতীয় স্বার্থে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সমীকরণ প্রণয়নে প্রয়াসী হয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের সাথে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার সমীকরণ আশা করে না। সুষমা স্বরাজের সমীকরণ যা-ই হোক না কেন, অবশেষে কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ভাষায় আমাদের প্রত্যাশা, ‘কি করিলে ভালো হয় কর বিবেচনা/স্বদেশের হিতহিত কর আলোচনা//মনে মনে স্থিরভাবে কর প্রণিধান/যাহাতে দেশের হয় কুশল বিধান//’

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫