ঢাকা, শনিবার,০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

আমার ঢাকা

২৬ ডিসেম্বর থেকে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসব

১২ ডিসেম্বর ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসব-২০১৭’। ষষ্ঠ এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে। যথারীতি বাংলাদেশ ও ভারতের প্রথম সারির উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিল্পী বৃহৎ এ উচ্চাঙ্গসঙ্গীত আসরে অংশ নেবেন। ষষ্ঠ এ আসরটি উৎসর্গ করা হচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষক, চিন্তাবিদ ও সংস্কৃতি তাত্ত্বিক ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে। এবারের উৎসব সম্পর্কে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এ বছর উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসবের সব আয়োজন চূড়ান্ত করার শেষপর্যায়ে স্থান বরাদ্দ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতায় উৎসবটি দেশের মানুষের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে, তা আমাদের প্রয়াসে যুক্ত করেছে এক নতুন মাত্রা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত স্থান বরাদ্দ না পাওয়ায় এবং উৎসবের সুনাম অক্ষুণœ রাখতে আমরা অনন্যোপায় হয়ে গত ২২ অক্টোবর উৎসবের পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করি। এর পরপর ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে উৎসবের পক্ষে জনসমর্থনের যে জোয়ার বয়ে যায়, তা নিষ্ঠায় ও ভালোবাসায় প্রেরণাসঞ্চারী হয়ে ওঠে।
উৎসবের প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন
২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে ৩০ ডিসেম্বর শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। প্রতিবারের মতো অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে বিনামূল্যে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা যাবে। সীমিত সময়ের জন্য বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া ধানমন্ডিতে জ্ঞানতাপস আবদুর রাজ্জাক বিদ্যাপীঠে (বাড়ি নম্বর ৬০, সড়ক নম্বর ৭/এ, ধানমন্ডি) সশরীরে গিয়েও নিবন্ধন করা যাবে। তবে উৎসবস্থলে কোনো নিবন্ধন করা যাবে না। প্রতিবারের মতো প্রতিদিন যথারীতি রাত ১২টায় উৎসবের প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যাবে। তবে ভেনুর ধারণক্ষমতা অতিক্রম করলে বা অন্য যেকোনো বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ পূর্বঘোষণা ছাড়াই রাত ১২টার আগেই গেট বন্ধ করতে পারে।
এ বছর থেকে উৎসবে যুক্ত হচ্ছে ওয়েস্টার্ন ক্ল্যাসিক্যাল। উৎসবের প্রথম দিন ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় কাজাখস্তানের ৫৮ সদস্যের আস্তানা সিম্ফনি ফিলহারমনিক অর্কেস্ট্রার সাথে যুগল পরিবেশনায় অংশ নেবেন গ্র্যামি-মনোনীত প্রখ্যাত বেহালাশিল্পী পদ্মভূষণ এল সুব্রহ্মণ্যন।
উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসবের ষষ্ঠ এ আসরে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন মেওয়াতি ঘরানার প্রবাদপ্রতিম শিল্পী পদ্মবিভূষণ পণ্ডিত যশরাজ (খেয়াল), ১৯৯৩ সালে গ্র্যামিবিজয়ী পণ্ডিত বিশ্বমোহন ভট্ট (মোহন বীণা), গ্র্যামি-মনোনীত বিদুষী কালা রামনাথ (বেহালা), দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গ্র্যামিবিজয়ী পদ্মভূষণ বিদ্বান ভিক্কুবিনায়করাম (ঘাটম), বিশিষ্ট ওডিশি নৃত্যশিল্পী সুজাতা মহাপাত্র, পণ্ডিত বুধাদিত্য মুখার্জি (সেতার), পণ্ডিত কৈবল্যকুমার গুরভ (খেয়াল), সাসকিয়া রাও (চেলো) এবং কত্থক নৃত্যদল অদিতি মঙ্গলদাস ডান্স কোম্পানি প্রমুখ।
শিল্পীদের এ মিলনমেলা আলোকোজ্জ্বল করবেন বিদুষী পদ্মা তলওয়ালকার (খেয়াল), পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার (সরোদ), মাইসোর মঞ্জুনাথ (বেহালা), পণ্ডিত রনু মজুমদার (বাঁশি), পণ্ডিত কুশল দাস (সেতার), পণ্ডিত দেবজ্যোতি বোস (সরোদ), রাকেশ চৌরাসিয়া (বাঁশি), পূর্বায়ণ চট্টোপাধ্যায় (সেতার), রাজরূপা চৌধুরী (সরোদ), আবীর হোসেন (সরোদ) প্রমুখ। এ ছাড়া উৎসবের মধ্যমণি হিসেবে থাকবেন পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা, পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, ওস্তাদ রাশিদ খান, পণ্ডিত উলহাস কশলকার, ওস্তাদ শাহিদ পারভেজ খান প্রমুখ। তবলায় সঙ্গত করবেন পণ্ডিত অভিজিৎ ব্যানার্জি, পণ্ডিত শুভঙ্কর ব্যানার্জি, পণ্ডিত যোগেশ সামসি প্রমুখ।
এ উৎসবে নৃত্য পরিবেশন করবেন বাংলাদেশের পাঁচজন প্রতিভাবান নবীন নৃত্যশিল্পী। তারা হলেনÑ সুইটি দাশ, অমিত চৌধুরী, স্নাতা শাহরিন, সুদেষ্ণা শ্যামাপ্রভা ও মেহরাজ হক। সঙ্গীত পরিবেশন করবেন সরকারি সঙ্গীত মহাবিদ্যালয় ও বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়ের শিক্ষার্থীরা।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫