ঢাকা, শনিবার,২০ এপ্রিল ২০১৯

উপসম্পাদকীয়

আন্দোলন কৌশল

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,শুক্রবার, ১৮:২৬


 ড. আবদুল লতিফ মাসুম

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

প্রিন্ট

যেকোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আগে থেকেই রণকৌশল নির্ধারণের প্রয়োজন হয়। রাজনৈতিক দলগুলো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠনতন্ত্র, ঘোষণাপত্র এবং নির্বাচনের পূর্বক্ষণে মেনিফেস্টো প্রকাশ করে থাকে। যেসব রাজনৈতিক দল আদর্শভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করে তাদের রণকৌশল প্রায় একই রকম ছকে বাঁধা থাকে সবসময়।

অন্য দিকে, যেসব রাজনৈতিক দল পপুলিজম বা লোকরঞ্জন নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, তারা ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’ নেয়। জনগণের ‘নাড়ির টান’ বুঝে তারা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের চাওয়া-পাওয়া, সুখ-সুবিধা ও সমস্যাকেন্দ্রিক কর্মসূচি প্রণয়ন করে এসব দল। সে ক্ষেত্রে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের তেমন পার্থক্য নেই। পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তার কারণ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলার জনগণের আশা আকাক্সক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কর্মসূচি প্রণয়ন করা। অপর দিকে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান জনগণের নাড়ির টান বুঝে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রণয়ন করেছিলেন। এ ক্ষেত্রে বিএনপি অবশ্য একটি স্বতন্ত্র স্বকীয়তা বা ‘ইউনিকনেস’ এর দাবি করতে পারে। আর তা হলো, জনগণকে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করা। বিএনপি ক্ষমতাবলয়ের বাইরে এসে নতুন ধারায় বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংগঠিত হয়। স্বৈরাচারী শাসক এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা যখন একটি কঠিন বিষয়, তখন বেগম খালেদা জিয়া তার দৃঢ়তা, সাহসিকতা ও জনসম্পৃক্ততার ভিত্তিতে, বিশেষত তরুণ ছাত্র-যুবাদের নিয়ে আন্দোলন পরিচালনায় সক্ষম হন। যারা বিএনপিকে ‘সামরিক ছাউনির দল’ মনে করেন তারা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করেছিলেন, বিএনপি দেশের বৃহত্তম গণভিত্তিক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর রওনক জাহান স্বীকার করেছেন, বেগম খালেদা জিয়া বিএনপিকে একটি সত্যিকার রাজনৈতিক দলে রুপান্তরে সক্ষম হন (রওনক জাহান : ২০১৫:৩১)।

গণতান্ত্রিক এবং নিয়মতান্ত্রিক পথেই যে বিএনপির কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে, তার প্রমাণ বিগত ৪০ বছরের রাজনীতি। ক্ষমতায় থাকতে বর্তমান শাসক দলের মতো বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিচালনা করেনি। তারা যাই বলুক না কেন, ক্ষমতার বাইরে গিয়েও বিএনপি কখনোই গণতান্ত্রিক রীতি-পদ্ধতি থেকে বিচ্যুত হয়নি। বিএনপির গঠনতন্ত্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অংশে ‘জ’ ধারায় বলা হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক জীবনধারা ও গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থার রক্ষাকবচ হিসেবে গণনির্বাচিত জাতীয় সংসদের ভিত্তি দৃঢ়ভাবে স্থাপন করা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা।’ সন্ত্রাসের বিভীষিকা যখন পৃথিবীকে আচ্ছন্ন করেনি, তখন বিএনপি ঘোষণা করেছে, ‘রাজনৈতিক গোপন সংগঠনের তৎপরতা এবং কোনো সশস্ত্র ক্যাডার, দল বা এজেন্সি গঠনে অস্বীকৃতি জানানো ও তার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা।’

বিগত দশ বছরে বিএনপি এ ধরনের ঘোষণার ব্যতিক্রম করেনি, কিন্তু বিএনপির কর্মসূচিকে সন্ত্রাসী তৎপরতায় পরিণত করার জন্য ক্ষমতাসীনদের চেষ্টার কোনো ত্রæটি ছিল না। বিশ্ব বাজারে সন্ত্রাস নামক বিষয়টি যখন পাশ্চাত্যের কাছে বিরাট এক অস্ত্র, তখন তাদের সাথে সুর মিলিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন বা সন্ত্রাসের দোসর হিসেবে চিহ্নিত করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছেন তারা। বিএনপি গণতান্ত্রিক ধারায় রাজনৈতিক পরিবর্তনে বিশ^াসী। তাই তারা গত ১০ বছরে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তনের চেষ্টা করেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিল। শঠতা, প্রতারণা ও অপকৌশল দিয়ে ওই নির্বাচনকে তামাশায় পরিণত করা হয়েছে। সামনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

শাসক দলের সাধারণ সম্পাদক ১৩ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘প্রতিদ্ব›িদ্বতামূলক নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে দরকার।’ সত্য কথা বলেছেন ওবায়দুল কাদের। হাত-পা বেঁধে যদি কাউকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে বলা হয়, সেটি যেমন হাস্যকর, তার আবেদনও সেরকম হাস্যকর। বাংলাদেশের একজন নাবালকও বোঝে, বেগম জিয়াকে কেন কারাগারে নেয়া হয়েছে। বিগত জাতীয় নির্বাচনে খালি মাঠে গোল দিয়ে যে বদনাম হাসিল করেছে আওয়ামী লীগ, সে অভিজ্ঞতা থেকে তারা এখন গা বাঁচাতে চাচ্ছেন। দেশের মানুষের আতঙ্ক এবং বিদেশীদের আশঙ্কা দূর করার জন্য এবার দৌড়ে বিএনপিকে তাদের প্রয়োজন। শুধু একজনে তো আর দৌড় প্রতিযোগিতা হয় না! তাহলে মানুষ হাসবে। প্রতিযোগিতার জন্য কমপক্ষে তিনটি নাম দরকার। প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে অনেক সময় লোকেরা নিজের গাঁটের পয়সা খরচ করে আরো দু’জন দরখাস্তকারী জোটায় নিজের চাকরিকে ‘জায়েজ’ করার জন্য। সেরকম অর্থেই নির্বাচনে বিএনপিকে দরকার। কিন্তু অলিখিত শর্ত এই যে, তাকে পরাজিত হতে হবে। মূলত এতে রাজি করানোর জন্য ইতোমধ্যেই ১৫ লাখ মানুষের নামে মামলা করা হয়েছে। নিত্যদিন গণগ্রেফতারি চলছে। নির্বাচনী স্বচ্ছতা! এর ‘প্রমাণ’ একজন মামলার পর মামলা অবশেষে জেলে অন্তরীণ, অপরজন নির্বাচনী জনসভা করে বেড়াচ্ছেন। আরো বিস্ময়ের ব্যাপার, বিএনপিকে রাজধানীতে কোথাও নির্বিঘ্নে কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না সরকার। বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর কর্মসূচিতে লাঠিপেটা করা হচ্ছে। এ ধরনের নিপীড়ন সত্তে¡ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন মানবতরঙ্গে পরিণত হয়েছে। যেখানে কর্মসূচি দেয়া হচ্ছে, সেখানেই মানুষের ঢল নামছে। তবে এসব কর্মসূচির অভিন্ন চরিত্র দৃশ্যমান। শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক পথে কর্মসূচির পর কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে।

আন্দোলনে যাতে নাশকতার সৃষ্টি না হয়, শান্তিপূর্ণ পথে তা পরিচালিত হয়, সেজন্য গ্রেফতারের আগে বেগম জিয়া কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। কারাগারে যাওয়ার পথে হাজার হাজার মানুষ তার অনুগমন করলেও কোথাও তেমন শান্তিভঙ্গ হয়নি। আন্দোলনের নামে জনগণের জানমালের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিতে খালেদা জিয়া নেতাদের নির্দেশ দেন। কর্মসূচি চলার সময়ে কেউ যেন গাড়িতে একটি ঢিলও না ছোড়ে, সে ব্যাপারে নেতাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো অনুপ্রবেশকারী যাতে নাশকতা সৃষ্টি করে দলকে বেকায়দায় ফেলতে না পারে, সে ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সর্বোচ্চ মাত্রায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

উল্লেখ্য, মামলার চূড়ান্ত রায়ের দু-একদিন আগে পুলিশ ভ্যান থেকে দু’জন নেতাকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। বিএনপি নেতৃত্ব মনে করে, সরকারি এজেন্টরা সুপরিকল্পিত ইন্ধনের মাধ্যমে এ ঘটনা ঘটায়। সরকার এ ঘটনাকে শত শত নেতাকর্মী গ্রেফতারের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে। যখন গণগ্রেফতার চলছে পুলিশ বলছে তারা ছবি দেখে দেখে আটক করছে। পত্রিকায় প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পুলিশ একজন সাধারণ পথচারীকে গ্রেফতার করছেন, আর তিনি আইডি কার্ড দেখিয়ে অব্যাহতি পেতে চাচ্ছেন। এ রকম অনেক ছবি নির্মম সত্যি কথা বলছে। এমন কোনো অজুহাত যাতে পুলিশ না পায়, সেজন্য সারা দেশে নেতাকর্মীদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের দায়-দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে। বেগম জিয়া আরো নির্দেশ দিয়েছেন, আন্দোলনের সময়ে কোথাও কোনো হামলা বা নাশকতার ঘটনা ঘটলে দলীয়ভাবে দ্রæত তদন্ত করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে, যাতে দলের ভাবমর্যাদা ক্ষুণœ না হয়। নেত্রী আরো সতর্ক করেন যে, ‘কোনোভাবেই আন্দোলন যেন সহিংস রূপ না নেয়।’ মনে করা হচ্ছে, সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালাবে বিএনপিকে উসকে দেয়ার জন্য; কিন্তু তাতে আন্দোলনকারীদের পা দেয়া চলবে না। পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ৯ ফেব্রুয়ারি দলের নীতিনির্ধারকসহ ৫ জন আইনজীবী কারাগারে দেখা করতে গেলে বেগম জিয়া এসব সতর্কতার কথা বলেন। তিনি আগামী দিনের আন্দোলনের করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও অনশনের মতো সহজ-সরল ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেয়া হচ্ছে। এ ধরনের কর্মসূচির পরে ক্রমান্বয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করে, বিএনপি অনুসৃত বর্তমান কর্মসূচিই সঠিক। নেতারা কর্মীদের ক্ষোভকে সঞ্চয় করে করে অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছার সুচিন্তিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। গৃহীত নতুন রণকৌশল ইংরেজি প্রবাদ- ‘স্লো বাট স্টিডি উইনস দ্য রেস’ এর প্রতিফলন ঘটাতে চাচ্ছে। এ কর্মসূচিকে অতীতের ভুলত্রুটি সংশোধন করে সামনে এগোনোর বাস্তব কর্মসূচি বলে মনে করা হচ্ছে।

আন্দোলনের কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাদের উপস্থিতি-অনুপস্থিতি নিয়ে সরব-নীরব বিতর্ক আছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞমহল মনে করে, অতীতে কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক নেতাদের অসহযোগিতা এবং অনুপস্থিতির কারণে আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার নজির রয়েছে। নানা দল থেকে বিভিন্ন আদর্শ ও পেশার মানুষ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে থাকায় সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করেন কেউ কেউ। তবে দলের সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় নেতাদের কারো কারো ‘সুবিধাবাদী চরিত্র’কে ব্যর্থতার কারণ বলে মনে করেন। এবারে এসব নেতানেত্রী যাতে রাজপথমুখী হন সেই তাগাদা দেয়া এবং যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপি নেতৃত্বের একটি অংশ মনে করে ‘আগে যেখানে তাদের নামানো যেত না, এখন তারা রাজপথে নামছেন।’ বিএনপির প্রতি শুভেচ্ছা পোষণ করেন- সিভিল সোসাইটির এমন সদস্যরা দলের নেতাকর্মীদের বিদ্বেষ, কোন্দল ও আঞ্চলিকতা পরিহার করে দুঃসময়ে এক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আশার কথা, বিএনপি চেয়ারপারসনের জেলে যাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতারা অধিকতর ঐক্য, সংহতি ও সক্রিয়তা প্রদর্শন করছেন। যারা মামলা, ভয়-ভীতি ও শত্রæতার অথবা সুবিধাবাদী হওয়ার কারণে আত্মগোপন করে আছেন, তাদের উচিত এখন প্রকাশ্যে ভ‚মিকা পালন করা। পদ, ক্ষমতা ও সুবিধার তোয়াক্কা না করে সবাই মিলে আন্দোলন সফল করার সময় এখন। আরেকটি বিষয় হলো, দলের ভাঙন ঠেকানো। সরকারি দল বিএনপিতে ফাটল ধরানোর অবিরাম চেষ্টা করে যাচ্ছে। দৃশ্যত মনে হচ্ছে, এখন বিএনপি ‘মোনাফেকমুক্ত’। বেগম জিয়ার প্রতি আবেগময় ভালোবাসার কারণে দল আজ অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘চেয়ারপারসনের কারামুক্তিকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীরা আরো ঐক্যবদ্ধ। সাধারণ মানুষকে এ আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত করতে নেতাকর্মীরা কাজ করছেন। নেতাকর্মীদের চাঙ্গা ভাব ও সক্রিয়তা নিঃসন্দেহে আগামী দিনের আন্দোলনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিরোধী গোষ্ঠী বেগম জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়ে হয়তো ভাবছে, জনতার কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দেবে। কিন্তু জনতার শক্তিই যদি শেষ কথা হয়, তাহলে গণতন্ত্রের জন্য জনতার বিপ্লব অনিবার্য।হ

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫