ঢাকা, বুধবার,২০ নভেম্বর ২০১৯

সাতরঙ

চেতনায় উজ্জীবিত স্বাধীনতা দিবস

এ কে রাসেল

২০ মার্চ ২০১৮,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট
মডেল : সজীব খান, তনু এনাম, সেজুতী, আদর ও তানভীর, পোশাক : বালুচর ও কাপড় ই-বাংলা মেকাপ : বিন্দিয়া বিউটি পার্লার, ছবি : শেখ সাদী

মডেল : সজীব খান, তনু এনাম, সেজুতী, আদর ও তানভীর, পোশাক : বালুচর ও কাপড় ই-বাংলা মেকাপ : বিন্দিয়া বিউটি পার্লার, ছবি : শেখ সাদী

প্রতি বছর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করা হয় স্বাধীনতা দিবস। আর এ সবকিছুর মূলেই রয়েছে স্বাধীনতার চেতনাকে উজ্জীবিত রাখা। জাতীয় চেতনাকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে পোশাকও এখন অন্যতম একটি মাধ্যম। কয়েক বছর ধরে এ কাজটা খুবই আন্তরিকতার সাথে করে যাচ্ছেন আমাদের ফ্যাশন ডিজাইনারেরা।
এ বছরও নিজেদের দেশাত্মবোধ ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাধীনতা দিবসের নান্দনিক ডিজাইন ও রঙের পোশাক তৈরি করে শোরুমগুলো সাজিয়ে তুলেছে ফ্যাশন হাউজগুলো। স্বাধীনতা দিবসের ছোঁয়ায় রাঙাতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে পোশাক। পোশাকের মধ্যে নারীদের জন্য রয়েছে শাড়ি, টপস, ফতুয়া, সালোয়ার-কামিজ, কুর্তা ও ওড়না। আর ছেলেদের জন্য টি-শার্ট, শার্ট, পাঞ্জাবি-পায়জামা, উত্তরীয় ইত্যাদি। শিশুদের জন্য এনেছে শাড়ি, ফতুয়া, ফ্রক, টি-শার্ট, শার্ট, পাঞ্জাবি-পায়জামা ও স্কার্টসহ নানা ধরনের পোশাক।
দিবসভিত্তিক আয়োজনে ফ্যাশনেবল পোশাক সংগ্রহ করতে তরুণ-তরুণীদের মধ্যেই আগ্রহ বেশি দেখা যায়। ইস্ট-ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শাওন, আজিজ সুপার মাকের্টের একটি দোকান থেকে লাল-সবুজের একটি পাঞ্জাবি কিনছিলেন। শাওন জানালেন, পোশাকটি কিনছেন স্বাধীনতা দিবসে পরার জন্য। তার মতে, স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়ে আমাদের হতে হবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কারণ স্বাধীনতা আমাদের দিয়েছে নিজস্ব মাতৃভূমি, একটি পতাকা ও সার্বভৌমত্ব। লোক দেখানোর জন্য নয়, অন্তর থেকে ধারণ করতে হবে এর গুরুত্ব ও অবদান।
সায়মা আক্তার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। তিনিও এসেছেন কেনাকাটা করতে। সায়মা জনান, ‘স্বাধীনতা দিবস’ উপলক্ষে পোশাক কিনতে এসেছি। নিজের ও পরিবারের জন্য। লাল-সবুজের পোশাকই তার প্রথম পছন্দ বলে জানান।
স্বাধীনতার পোশাক নিয়ে কথা হয় পোশাক হাউজ কাপড়-ই-বাংলার কর্ণধার মুরসালিন মিথুনের সাথে। তিনি বলেন, শুধু ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়, আমরা বিষয়টিকে দেখি দেশাত্মবোধ ও দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মনোভাব নিয়ে। পোশাকের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসের প্রেরণাকে তুলে ধরা হয়। কাপড়-ই-বাংলা সব সময় দেশীয় সংস্কৃতিকেই বেশি মূল্যায়ন করে। ফলে সব ধরনের উৎসব ও বিভিন্ন দিবসে পোশাকে নিজেদের সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবিকেই তুলে ধরার চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে দেশের আরেক খ্যাতিমান ফ্যাশন হাউজ গ্রামীণ মেলার স্বত্বাধিকারী নাঈম বলেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। আমাদের গর্ব, আমাদের অহঙ্কার। পোশাকের মাধ্যমে স্বাধীনতার চেতনাকে তুলে ধরাটা আমি ইতিবাচকভাবেই দেখি। আর স্বাধীনতা তো আমাদের গর্ব। তাই ২৬ মার্চের জন্য সাধারণত লাল-সবুজের চাহিদাই বেশি থাকে। এ চাহিদা মাথায় রেখেই পোশাকের ডিজাইন করা হয়ে থাকে। লাল-সবুজ ছাড়াও সাদা, মেরুন ও কমলা এসব রঙের পোশাকের বেশ চাহিদা আছে।
পাশাপাশি টি-শার্টে বাংলাদেশের মানচিত্র, পতাকার লাল সূর্য, কবিতার লাইন, স্মৃতিসৌধ বা গ্রামবাংলার প্রতিচ্ছবি থাকা পোশাকগুলোরও চাহিদা রয়েছে।
দরদাম : স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তৈরি করা বিভিন্ন দামের পোশাক রয়েছে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটে। ২৫০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যেই পাওয়া যাবে আপনার পছন্দের ফ্যাশনেবল পোশাক।
কোথায় পাবেন : অঞ্জনস, কাপড়-ই-বাংলা, রঙ বাংলাদেশ, গ্রামীণ মেলা, বিশ্ব রঙ, উৎসব ফ্যাশন, বরণ, বিশাল, বিসর্গ, লণ্ঠন, অন্যরকম, নিত্য উপহারসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজগুলোর শো-রুমে। এ ছাড়াও পাবেন নিউ মার্কেট, বঙ্গবাজার ও গুলিস্তানসহ রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫