ঢাকা, রবিবার,২০ অক্টোবর ২০১৯

দেশ

বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে এসে চোখ হারালো ২০ রোগী

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা

০৫ এপ্রিল ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ১৯:৪৭


প্রিন্ট
বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে এসে চোখ হারালো  ২০ রোগী

বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে এসে চোখ হারালো ২০ রোগী

ফ্রি চিকিৎসার নাম করে ভুল চিকিৎসা দেয়া হলো রোগীদের। এতে চিরতরে নিবে গেছে ২০ জনের চোখের আলো।  গত ৫ মার্চ চুয়াডাঙ্গা ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।

গত ৫ মার্চ ফ্রি চক্ষু সেবার ক্যাম্পেইন করেছিল ওই হাসপাতাল।  ওই দিন ২৪ জন রোগীর চোখে অপারেশন করা হয়।এরপর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নেয়ার দুইদিন পর ২৪ জনের মধ্যে ২০ জনের চোখে ইনফেকশন দেখা দেখা দেয়। অবস্থা খারাপ বুঝতে পেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে ১২ মার্চ ঢাকা ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে তাদেরকে ভর্তি করে। এদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ৮ জন মহিলা।  এই ২০ নারী-পুরুষের চোখ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তুলে ফেলতে হয়েছে।

এই ঘটনা তদন্ত করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫ সদস্যের তদন্ত দল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেল্থ সেন্টার পরিদর্শন করেছেন।  তদন্ত টিম বিকাল ৪টায় তাদের কাজ শুরু করেন। এ সময় তারা ইম্প্যাক্ট হাসপাতাল পরিদর্শন ও চোখ হারানো ২০ রোগীর সাথে কথা বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমানকে আহবায়ক করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যন্য সদস্যরা হলেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা: সাইফুল্লাহ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজীর সহযোগী অধ্যাপক ডা: সাজ্জাত বিন শহীদ, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নুরুল ইসলাম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ডা: শরিফুল হক। তদন্ত টিম বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তদন্ত শেষে ১২ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে রির্পোট পেশ করবেন।

তদন্ত টিম ইম্প্যাক্ট হাসপাতালের পরিচালনার বৈধতা, চক্ষু চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন যন্ত্রপাতি আছে কিনা, ৪-৬ মার্চ বিনা মূল্যে/ স্বল্প মূল্যে কতজন রোগিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ফি নেয়া হয়ে থাকলে রোগী প্রতি কত টাকা ফি নেয়া হয়েছিল এবং সে ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন আছে কিনা, উক্ত সময়ে চিকিৎসা কার্যক্রমে নিযুক্ত চিকিৎসকের সংখ্যা, চিকিৎসকের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা। ব্যবহ্রত ওষুধের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম এবং ঈড়ঁহঃৎু ড়ভ ড়ৎরমরহ, ওষুধের মেয়াদ, সংরক্ষণ ও সংরক্ষনের পদ্ধতি এবং উক্ত ওষুধে কোন ব্যাক্টোরিয়ার উপস্থিতি ছিল কিনা এবং থাকলে কোন জাতীয় ব্যাক্টোরিয়া তার তথ্য। ক্ষতিগ্রস্থ রোগীর সংখ্যা ও ক্ষতির প্রকৃতি বিষয়ে তদন্ত করবেন বলে জানা গেছে।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫