ঢাকা, রবিবার,২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

উপমহাদেশ

ভারতের গুরুগ্রামে ৮৮টি স্থানে জুমার নামাজ পড়া যাবে না

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১১ মে ২০১৮,শুক্রবার, ১৮:১৩


প্রিন্ট
ভারতের গুরুগ্রামে ৮৮টি স্থানে জুমার নামাজ পড়া যাবে না

ভারতের গুরুগ্রামে ৮৮টি স্থানে জুমার নামাজ পড়া যাবে না

আগের মত ১২৫টি জায়গায় নয়, আজ শুক্রবার থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লির গুরুগ্রামে (স্থানীয় হরিয়ানা রাজ্যের সাথেও সম্পর্কিত) মাত্র ৩৭টি জায়গায় খোলা জায়গায় জুমার নামাজ পড়া যাবে। পুলিশের সঙ্গে বসে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে স্থানীয় মুসলিম সংগঠনগুলো। যে ৩৭টি জায়গায় নামাজ পড়া যাবে, সেগুলির মধ্যে ১৩টি সরকারি এলাকা।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, কোনো বিতর্কিত এলাকায় নামাজ পাঠ চলবে না। যে ৩৭টি জায়গায় নামাজ হবে, সেখানে পুলিশি নিরাপত্তা থাকবে। মুসলমানরা চেয়েছিলেন ১০০-র কাছাকাছি খোলা জায়গায় নামাজ পাঠের অধিকার। কিন্তু তা মানেনি পুলিশ। ফলে মুসলিমদেরকে ৮৮টি স্থানে নামাজ পড়ার অধিকার বাদ দিতে হয়েছে।

গত এক মাস ধরে গুরুগ্রামে শুক্রবারের নামাজ পাঠ নিয়ে বিতর্ক চলছে। সেক্টর ৫৩-র বজিরাবাদ গ্রামে সরকারি জমিতে নামাজ পড়া নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। স্থানীয় জনাছয়েক যুবক বাধা দেন নমাজীদের, সেখান থেকে তাদের সরে যেতে বাধ্য করেন তারা। ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টারও বলে দেন, খোলায় নামাজ পড়া চলবে না।

উল্টোদিকে মুসলিমদের বক্তব্য, শহরে জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় মসজিদে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। ফলে শুক্রবারের নামাজ খোলা জায়গায় পড়তে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৫ তারিখ পর্যন্ত সব সরকারি কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করেছে রাজ্য।

প্রতিবেশী দেশের সাথে ফের সম্পর্ক গড়ে তুলতে নেপাল সফরে গেলেন মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’দিনের এক সফরে শুক্রবার নেপাল পৌঁছেছেন। নয়াদিল্লী ও তাদের প্রতিবেশী ছোট এ দেশের মধ্যে টানাপোড়নের সম্পর্ক পুনরায় জোড়া লাগানোর লক্ষ্যে তিনি এ সফরে গেলেন। খবর এএফপি’র।
নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় জনাকপুর নগরীতে মোদি অবতরণ করেন। সেখানে বিখ্যাত একটি হিন্দু মন্দিরে তিনি প্রার্থনা করবেন।
পরে সেখান থেকে মোদি কাঠমান্ডুতে যাবেন এবং সেখানে তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা ওলির সঙ্গে ভারতের আর্থিক সহযোগিতায় গড়ে তোলা একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন।

উল্লেখ্য, নেপালের ব্যাপারে ভারতের ধারাবাহিক ইতিবাচক মনোভাবের ক্ষেত্রে এ সফর হচ্ছে সর্বশেষ। আর এ সফর এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন নেপালের ওপর চীনের প্রভাব বাড়ছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫