ঢাকা, বুধবার,২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নিত্যদিন

কিশোর মুসা রবিনের অভিযান

রকিব হাসান

১৫ মে ২০১৮,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

ত্রিশ.

দিনের বাকি সময়টা মিস্টার উলফকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করল ওরা। মায়ানেকড়ে ধ্বংসের উপায় নিয়ে আলোচনা করল।
‘মায়ানেকড়ে কিসে মারা যায় জানো নাকি? হৃৎপিণ্ডে তীর মারলে মরবে?’ রবিনের প্রশ্ন।
মাথা নাড়ল কিশোর, ‘জানি না।’
মুসা বলল, ‘হৃৎপিণ্ডে রুপার গুলি ঢোকালে মরে।’
‘বন্দুকই নেই, গুলি পাবো কোথায়? তা-ও আবার রুপার।’
‘রুপার গুলিতে মায়ানেকড়ে মরে তুমি জানলে কী করে?’ মুসাকে জিজ্ঞেস করল ফারিহা।
‘সিনেমায় দেখেছি,’ মুসা বলল। ‘একটা হরর মুভিতে।’
‘কিন্তু এটা মুভি নয়। এটা বাস্তব।’ মনে করিয়ে দিলো রবিন। ‘এখানে উল্টাপাল্টা কিছু করা চলবে না। মিস্টার উলফের কাছে যাওয়া যাবে না। দূরে দূরে থাকতে হবে।’
মিস্টার উলফকে এড়িয়ে থেকে দিনটা তো কাটানো গেল কোনো মতে, কিন্তু রাতের খাবারের সময়, ফারিহার দুর্ভাগ্য, তাঁর একেবারে পাশের চেয়ারটাতে বসলেন মিস্টার উলফ। বসার সময় গলায় ঝোলানো ঘণ্টাটা নাড়া লেগে টুংটাং করে উঠল। লম্বা চুল লেপ্টে রয়েছে মাথায়। দাড়ি এলোমেলো। গায়ের গন্ধে ভূত পালায়।
‘কেমন লাগছে বুনো জীবন?’ মুরগির একটা ভাজা রান তুলে নিয়ে চিবাতে চিবাতে জিজ্ঞেস করলেন মিস্টার উলফ।
‘ভালো,’ বলে তার কাছ থেকে যতটা সম্ভব সরে বসল ফারিহা।
দু-তিন কামড়ে মাংসটুকু শেষ করে ফেলে প্রথমে হাড়ের ভেতরের মজ্জা চুষলেন মিস্টার উলফ। তারপর কামড় দিয়ে ভেঙে কুড়মুড় করে হাড় চিবাতে লাগলেন।
(চলবে)

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫