ঢাকা, শনিবার,২০ এপ্রিল ২০১৯

চট্টগ্রাম

মেয়র আক্কাছের নির্দেশে ভৈরবে জিয়া তোরণটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

১৮ মে ২০১৮,শুক্রবার, ১৬:০৭


প্রিন্ট

ভৈরব পৌর শহরের চন্ডিবের গ্রামের প্রবেশ মুখে অবস্থিত জিয়া তোরণটি পৌর মেয়র ফকরুল আলম আক্কাছের নির্দেশ বুধবার সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে কতিপয়লোক জেলা পরিষদের অর্থায়নে রেলওয়ের জায়গায় নির্মিত তোরনটি হাতুড়ি শাবল দিয়ে ভেঙ্গে ফেলেছে। এ সময় এলাকার লোকজনের মধ্যে মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার হীন উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত পৌর মেয়রের নির্দেশে গত মঙ্গলবার দুপুরে নিয়োজিত শ্রমিকরা ২০০৬ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে রেলওয়ের জায়গায় নির্মিত জিয়া তোরণটি ভাঙ্গতে গেলে উপজেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক আরিফুল ইসলাম ও পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মিরা এতে বাধা দেয়।।বুধবার সকালে স্থানীয় আওয়ামীলীগের শতাধিক নেতাকর্মি পুলিশের উপস্থিতিতে তোরনটি ভেঙ্গে ফেলে।
১৯৭৯ সালে চন্ডিবের গ্রামের সন্তান মরহুম মজিবুর রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে এমপি নির্বাচিত হলে উক্ত গ্রামের মানুষজন জিয়াউর রহমানের নামে একটি তোরন নির্মানের দাবী জানায়্।সেই সুবাদে চন্ডিবের গ্রামে নির্মিত জিয়া তোরণটিকে কেন্দ্র করে অলিখিতভাবে এলাকাটি জিয়ানগরে পরিচিতি লাভ করে।
এলাকার পথচারি সামসু মিয়া প্রতিক্রিয়ায় জানান,তোরণ ভাঙা-ভাঙির রাজনীতি এলাকার কিংবা দেশের জন্য শুভকর নয়।এতে জাতীয় বা আঞ্চলিক ইতিহাস ঐতিহ্য লুপ্ত হবে বৈকি।
২০০৬ সালের ৩০ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বিএনপি সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি সভাপতি শলীফুল আলমের প্রচেষ্টায় তোরনটি নির্মান করা হয়। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জিয়া তোরণটি ভাঙ্গার পায়ঁতারা করে আসছিল স্থানীয়আ’লীগ চক্র।
একইসাথে স্থানীয় আ’লীগের ক্ষমতাসীন অংশ আ’লীগ ও তার অঙ্গ-সংগঠনের সন্মেলনের নামে জিয়ানগর নামে কথিত চন্ডিবের গ্রামে বিএনপির ভোট ব্যাংক ভাঙতে বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীদের আ’লীগে আত্মীয়করনে পদমর্যাদার টোপ ফেলে বিএনপির নেতাকর্মীদের দলচুত্য করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তোরণ ভাঙার বিষয়ে পৌর মেয়র ফকরুল আলম আক্কাছ রাস্তা ও জনগনের স্বার্থে তোরণটি ভেঙে ফেলা জনসেবার বিষয় বলে অভিহিত করেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫