ঢাকা, সোমবার,২৬ আগস্ট ২০১৯

উপসম্পাদকীয়

আম আদমি এবং এক আওয়ামী এমপি

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

০৯ অক্টোবর ২০১৫,শুক্রবার, ১৭:৫৬


 ড. আবদুল লতিফ মাসুম

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

প্রিন্ট

আম আদমি মানে সাধারণ মানুষ। আর এমপির অর্থ হচ্ছে মেম্বার অব দ্য পার্লামেন্ট। বাংলায় সংসদ সদস্য নামেই এদের ব্যাপক পরিচিতি। এরা হচ্ছেন জাতীয় সংসদে জনগণের প্রতিনিধি। তত্ত্বকথা অনুযায়ী এমপি বা সংসদ সদস্যরা হচ্ছেন জাতির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানের ধারক-বাহক। জনগণের পক্ষ থেকে এরা দেশকে শাসন করেন। আইন প্রণয়ন করেন। এরা জনগণের ভাগ্যবিধাতা। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জনগণের সম্মতিতে জনগণের ভালো-মন্দ নির্ধারণ করেন। এই সম্মতিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেন, ‘সামাজিক চুক্তি’ (ঝড়পরধষ ঈড়হঃধপঃ)। সামাজিক চুক্তির অপর নাম গণতন্ত্র। গণতন্ত্রের বিপরীত হলো স্বৈরতন্ত্র। গণতন্ত্রের আগে স্বৈরতন্ত্র দিয়ে দেশ শাসিত হতো। স্বৈরতন্ত্র শব্দের পরিবর্তে ব্যবহার হতো গতানুগতিক শব্দÑ রাজা-বাদশাহ, আমির-ওমরাহ, সম্র্রাট-শাহানশাহ ইত্যাদি। এখন আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বে স্বৈরতন্ত্র বহাল আছে গণতন্ত্রের নামে। এখানের শাসক এলিটরা নির্বাচনী বয়ানে নিজেদের বলেন জনগণের সেবক, গরিবের দরদি, সাধারণ মানুষের বন্ধু। নির্বাচনের পরে এরাই হয়ে ওঠেন অন্যায়কারী-অত্যাচারী, শাসক-শোষক এবং প্রভু। নির্বাচনী এলাকাকে এরা মনে করেন নিজ জমিদারি। আগেকার দিনের রাজা-বাদশাহ-জমিদার এবং তাদের উত্তারাধিকারীরা প্রজাসাধারণের ওপর যেমন ইচ্ছা তেমন ব্যবহার করতেন। আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কেউ কেউ যে আমাদের প্রজাসাধারণ মনে করেন এবং আইনকানুন, রীতি-রেওয়াজ, ভদ্রতা-সভ্যতা কোনো কিছুকে তোয়াক্কা না করে যেমন খুশি তেমন আচরণ করেন, এর অতি সাম্প্রতিক প্রমাণ গত ২ অক্টোবর একজন এমপি কর্তৃক একটি শিশুর পায়ে কোনো রকম কারণ বা যথার্থতা ছাড়াই গুলিবর্ষণের ঘটনা।
জনপ্রতিনিধিত্বের স্বরূপ
এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের কার্যকলাপের মাধ্যমে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন জাতীয় সংসদের একজন প্রতিনিধির স্বরূপ উদঘাটিত হলো। প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের একজন প্রতীক তিনি। আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কেমন এবং তাদের গতিপ্রকৃতি, স্বভাব-চরিত্র, মন-মেজাজ, আচার-আচরণ কী ধরনের, একজন ব্যক্তির মধ্য দিয়ে তা প্রকাশিত হয়েছে। জাতীয় সংসদের অতীত এবং বর্তমানের প্রতিনিধিদের সম্পর্কে যদি একটি গবেষণা সমীক্ষা পরিচালিত হয়, তা হলে এ রকম আরো উদাহরণ মিলবে। অতীতে যেমন দল নির্বিশেষে গডফাদার ছিল, আজো আছে। এসব আঞ্চলিক গডফাদার মনে হয় যেন এক একটা জমিদারির একচ্ছত্র মালিক। যার যার এলাকায় তার ইচ্ছা-অনিচ্ছাই যথেষ্ট। আইনের শাসন সেখানে অচল। তাদের ইশারা ইঙ্গিতে আগেকার দিনের রাজা-বাদশাহের মতো মানুষের গদার্ন চলে যায়। নাগরিক হিসেবে সাধারণ মানুষ যে সম্মান মর্যাদা ও অধিকার ভোগ করার কথা তা সেখানে অনুপস্থিত। এরাই নির্ধারণ করতে চান এলাকার রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজনীতি। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে কাউকেই সহ্য করা হয় না। এর আদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেখানে এক রকম নিষিদ্ধ। ব্যবসায়-বাণিজ্য, ঠিকাদারি, লাইসেন্স, পারমিট ইত্যাদি তিনিই ভাগবাটোয়ারা করেন। সরকারের প্রজেক্ট, উন্নয়নকর্ম, ত্রাণকার্যক্রম এবং টেস্ট রিলিফের মতো সব কার্যক্রম তারই হাতের মুঠোয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আন্ডারওয়ার্ল্ড বিজনেস, সীমান্ত ব্যবসায়, চোরাকারবার এবং মাদকদ্রব্য ইত্যাদি পরিচালিত হয় তারই নিয়ন্ত্রণে। সেখানে জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা অনুপস্থিত। সরকারি কোনো সংস্থা তদন্ত করেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণাদি খুঁজে পায় না। কোনো অতি সাহসী সরকারি কর্মকর্তা ভিন্নতর কিছু করতে গেলে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হতে হয়। উল্লিখিত এমপির সম্পর্কে এ রকম অসংখ্য ঘটনা সংবাদপত্রে লিপিবদ্ধ হয়েছে। অবশ্য সব এমপি যে এ ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত, তা নয়। এ আক্রার যুগেও ভালো মানুষ আছে।
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন
এ ধরনের জনপ্রতিনিধিদের উদাহরণ দেখিয়ে সমাজতাত্ত্বিকেরা আমাদের রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের কথা বলতে চান। রাজনীতি থেকে ভালো মানুষ ইতোমধ্যেই বিতাড়িত হয়েছেন। সামরিক শাসনামলে ১৯৯১ সালে যখন গণতান্ত্রিক শাসনকাল শুরু হয় তখন মানুষ আশা করেছিল রাজনীতিতে সততা, স্বকীয়তা, মর্যাদা ফিরে আসবে; কিন্তু হয়েছে তার উল্টোটি। রাজনীতি ক্রমেই ধনিক শ্রেণীর হাতে চলে গেছে। পার্লামেন্টের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জাতীয় সংসদগুলোর বেশির ভাগ সদস্যই বিপুল বিত্তের অধিকারী, বিজনেস ম্যাগনেট। অনুসন্ধিৎসু গবেষণায় দেখা যায়, স্বাভাবিকভাবে বা নিয়মতান্ত্রিকভাবে এমপি বা জনপ্রতিনিধিরা এই বিপুল সহায়সম্পদের মালিক হননি। বরং এর পেছনে রয়েছে শোষণ এবং শাসন। এরা সেই ভূমিদস্যু, যারা ভূমি থেকে গরিব মানুষকে উৎখাত করেছে। সরকারি জমি জবরদখল করেছে। অথবা সরকারি অর্থ বেমালুম হজম করেছে। এরা সেই লুটেরা যারা কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলো ফোকলা করে ফেলেছে। আর সরকারের কর্তব্যক্তিরা অনায়াসে এদের লুটপাটের অংশ নিয়েছে। এদের মধ্যে আছে সেই সব যারা শ্রমিকের ঘামের বিনিময়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। আরো আছেন রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ দেয়া অর্থের লোপাটকারী প্রশাসকেরা। ওই ধনিক বণিকরাই আমজনতার স্বার্থসুবিধা লুটেপুটে খেয়ে সব কিছু ্ওলট পালট করে দিয়েছে। এরা জাতীয় সংসদের বাণিজ্যিকায়ন ঘটিয়েছে এবং রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নকে এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিকতা দিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো বিগত সিকি শতাব্দী ধরে ভালো মানুষের ভাত উঠিয়ে দিয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, জাতীয় সংসদগুলো নির্বাচনে মেধা, যোগ্যতা ও ত্যাগ-তীতিক্ষার বদলে দুটো জিনিস প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রথমত, এরা অর্থবিত্তের সন্ধান করেন। আগেকার মতো ত্যাগী কর্মীর সন্ধান করেন না। এ জন্যই জাতীয় সংসদকে কেউ কেউ ‘কোটিপতিদের ক্লাব’ বলে অভিহিত করছেন। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলো জ্ঞানী-গুণী খোঁজে না, খোঁজে দাপটওয়ালা মানুষকে। এর কারণ এরা রাজনৈতিক অংশগ্রহণে বিশ্বাস করে না। বরং অর্থ, অস্ত্র এবং অনর্থ ঘটাতে সক্ষম এ রকম মাস্তান বাহিনী খোঁজে। সুতরাং সংশ্লিষ্ট এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের এসব গুণ থাকার কারণেই তিনি ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। ঘটনাবলি বিশ্লেষণ করে এ ধরনের মন্তব্য করা অসমীচীন হবে না।
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজনৈতিক আচার-আচরণ রীতিনীতি বিষয় বক্তব্য মানেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি। উল্লিখিত ঘটনায় আমরা দেখলাম একজন জনপ্রতিনিধি কিভাবে তার লোকালয়ে জনসাধারণের সাথে ব্যবহার করেন। যেখানে ওই জনপ্রতিনিধি জনকল্যাণের কথা বলে ভোট চেয়েছেন, জনসেবার কথা বলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে আজ জনকল্যাণ বা জনসেবার পরিবর্তে কায়েম হয়েছে ভীতির রাজত্ব। ইতঃপূর্বে উল্লিখিত হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন ‘ট্রিগার হ্যাপি’ এমপি। তিনি শিশু সৌরভকে গুলি করার আগে একই স্টাইলে যত্রতত্র গুলি করেছেন। যেখানে জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের জীবন, সম্মান ও সম্পত্তির নিরাপত্তা বিধান করা তার কর্তব্য তিনি উল্টো সে জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কথা তিনি অন্যায় প্রতিষ্ঠিত করছেন। লক্ষ করার মতো বিষয়, প্রতারণামূলক বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করছেন। ঘটনার দিন তার স্ত্রী বলেছিলেন, কিছু লোক তার গাড়ি ঘিরে ধরায় তিনি জামায়াতের লোক মনে করে গুলিবর্ষণ করেছেন। অথচ ৫ অক্টোবর এ এমপির দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শিশু শাহাদাত আহত হওয়ার যে কারণ সংবাদমাধ্যমে এসেছে, তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি ২ অক্টোবর ভোরে মাছ কিনতে বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে ১০-১৫ জন তার গাড়ি প্রতিরোধ করে। বারবার হর্ন বাজলেও তারা সরে না যাওয়ায় তিনি জীবন রক্ষার্থে ফাঁকা গুলি চালান। এ ধরনের বিভ্রান্তকর বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি সত্যকে মিথ্য আর মিথ্যাকে সত্য করতে চেয়েছেন।
অপর দিকে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি বিশাল সংগঠন, সেই সংগঠনে অনেক কিছুই ঘটতে পারে; কিন্তু আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি কি না সেটাই বড় কথা। আমরা কিন্তু ঘটনা ধামাচাপা দিই না, প্রশ্রয়ও দিই না।’ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের রাজনৈতিক অবস্থা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সুন্দরগঞ্জে জামায়াতের উৎপাত আছে। ওখানে সংগঠন টিকিয়ে রাখাই কঠিন। কারণ ওখানে জামায়াতে ইসলামী খুনখারাবি করছে। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাদের খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করতে হবে। তবে সরকার অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করেছে, মামলা দেয়া হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রীর এসব উক্তির মাধ্যমে এমপি সাহেবের দায় কমেছে না বেড়েছে, তা আইনজ্ঞ ব্যক্তিই বলতে পারবেন। পরে সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী ওই এমপিকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি গ্রেফতার হননি। আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষ দৃশ্যত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের আগ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতারের কোনো ব্যবস্থা করেনি। এ ধরনের প্রতিটি ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের অপেক্ষা প্রয়োজন কি না, তা নিয়ে সুধী মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সত্যিকার জনপ্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন
যে জনপ্রতিনিধিত্ব সাধারণ মানুষের ভোটের ওপর নির্ভরশীল তা যদি নিশ্চিত হতো তাহলে হয়তো বা সুন্দরগঞ্জের শিশু সৌরভকে গুলি খেতে হতো না। যেখানে জনসাধারণের মন জোগাতে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দিয়ে একজন এমপি এলাকার মানুষকে তুষ্ট করেন, আজ সেখানে এমপির মর্জি মাফিক চলতে হয় তাদের। এটা সবারই জানা কথা, ৫ জানুয়ারি ২০১৪ যে নির্বাচন হয়েছে তা ছিল একরকম ভোটারবিহীন। সত্যিকার অর্থে যদি ভোটের মাধ্যমে এই এমপি নির্বাচিত হতেন তাহলে তাকে গুরুত্বপূর্ণভাবে জনসমর্থনের বিষয়টি বিবেচনা করতে হতো। বিরোধী দলবিহীন এ নির্বাচনে সহজেই মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের বিজয় সম্ভব হতো না। একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জনসাধারণ ভালো-মন্দ নির্ণয় করার সুযোগ পেত। একতরফা নির্বাচন জনসাধারণকে সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে। সত্যিকার জনপ্রতিনিধিত্বের নির্বাচন থাকলে ভবিষ্যতে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। সাধারণ নাগরিকেরা তাদের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতভাবে প্রয়োগ করতে পারবে।
শেষ কথা
আইনের চোখে সবাই সমান। মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন যে পদেই অধিষ্ঠ থাকুন না কেন, তিনি গুরুতর অপরাধ করেছেন। তিনি ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত। একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে তার আইনকে অতিক্রম করার কোনো সুযোগ নেই। এই অপরাধে হয়তো তার সামান্যই দণ্ড হবে; কিন্তু অসামান্য হচ্ছে এমপির ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতা। এ ধরনের মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের বরং রাজনৈতিক অধিকার হরণ করাই উচিত। নাগরিক সাধারণ আশা করে সরকার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। ভারতে শাসক দলগুলোর এসব অনাচার অত্যাচারের ফলে আবির্ভাব হয় আম আদমি পার্টির। একজন কেজরিওয়াল কায়েমি স্বার্থবাদকে অগ্রাহ্য করে জনতার শক্তি দেখিয়েছেন। আমাদের দেশে সেই কেজরিওয়াল কবে আসবে যে, জনতার পুঞ্জীভূত দুঃখ-কষ্ট, ক্রোধ-ক্ষোভ, লাঞ্ছনা-বঞ্চনা অবসানে একটি গণবিপ্লবের সূচনা করবেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫