ঢাকা, সোমবার,২৬ আগস্ট ২০১৯

উপসম্পাদকীয়

সংলাপ, সংলাপ এবং সংলাপ

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

১৩ নভেম্বর ২০১৫,শুক্রবার, ১৯:৫৪


 ড. আবদুল লতিফ মাসুম

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

প্রিন্ট

সংলাপ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘ডায়ালগ’। আরো অনেক শব্দের মতো এটিরও মূল উৎস গ্রিক দর্শন। প্রাচীনকালে সংলাপের মাধ্যমে কোনো কঠিন বিষয়কে সহজ করে উপস্থাপনের রেওয়াজ ছিল। যেমন- প্লেটোর রিপাবলিক। বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ‘ডায়ালগটিক্যাল মেথড’ বা দ্বান্দ্বিক পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ের উপসংহারে পৌঁছনো হতো। কার্ল মার্কস ‘ডায়ালগটিক্যাল মেটারিয়ালিজম’ বা দ্বন্দ্বগত বস্তুবাদের মাধ্যমে সভ্যতার ইতিহাসকে বিশ্লেষণ করেছেন। তার মানে হলো রাজনীতি হলো একটি দ্বন্দ্বগত বিষয়। আর সংলাপের মাধ্যমেই সেই দ্বন্দ্ব নিরসন সম্ভব। প্লেটোর কথাটিকে এভাবে বলা যায়, 'Politics is a kind of dialogue of the soul with itself'। সুতরাং ডায়ালগ বা সংলাপ হচ্ছে, রাজনীতির চিরায়ত পদ্ধতি যা সৃজনশীলতার বিকাশ এবং আবিষ্কার করে। 

বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে একটি দ্বন্দ্বমুখর জনপদ। প্রাচীনে উলুগপুর বা বিদ্রোহের দেশ নামে আমাদের বদনাম ছিল। আর মাৎস্যন্যায় যুগের কথা সবারই জানা। প্রাচীন ভ্রমণ ইতিহাসের বর্ণনাও আমাদের পক্ষে নয়। সুতরাং মধ্যযুগীয় সমাজতত্ত্ববিদ ইবনে খলদুনের ‘আসাবিয়্যাহ তত্ত্ব’ বা গোষ্ঠীতন্ত্র আমাদের বিবেচ্য বিষয়। সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যমলা এই বাংলা আমাদের জনগণকে যেমন আরাম আয়েশী করেছে, তেমনি করেছে তাদেরকে কোন্দল-কলহ প্রিয়। সাহিত্যিক যাযাবর তার ‘দৃষ্টিপাতে’ বাঙালি চরিত্রের কোন্দল প্রিয়তার কথা বলেছেন।
তাই হয়তো দেখা যায়, আমাদের সংলাপের সফলতার ইতিহাস মোটেই সুখকর নয়। স্বাধীনতা ঘোষণার প্রাক মুহূর্তে ‘তাজউদ্দীন ফর্মুলা’ এর মাধ্যমে যে স্বাধীনতা অর্জিত হতো সাংবিধানিক উপায়ে, অবশেষে তা নির্বোধ ইয়াহিয়া এবং কুচক্রী ভুট্টোর কারসাজিতে ভেস্তে যায়। বাঙালিদের ওপর ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ এর নামে যুদ্ধ শুরু করা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে আন্দোলন শুরু হয় তাতে মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে আসেন কমনওয়েলথ প্রতিনিধি স্যার স্টিফেন নিনিয়ান। সফলতার প্রান্তসীমায় গিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হয়। অবশেষে ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন প্রশ্নে আবার যখন রাজনৈতিক অচলাবস্থা দেখা দেয় তখন শীর্ষ রাজনৈতিক পর্যায়ে আবদুল মান্নান ভূঁইয়া এবং আবদুল জলিলের মধ্যে যে সংলাপ শুরু হয় তা সবাইকে উৎসাহিত করে। সেটিও সফলতার প্রান্তসীমায় গিয়ে ব্যর্থ হয়। ফলে জাতিকে লগি-বৈঠার তাণ্ডব এবং পরোক্ষ সামরিক শাসনের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত হতে হয়। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে শীর্ষপর্যায় থেকে সংলাপের যে আহ্বান জানানো হয় অপরপক্ষ তাকে রাজনৈতিক ব্লাকমেইলিং বলে প্রত্যাখ্যান করে। এ সময়ে আমরা তারানকোর দৌড়ঝাঁপ সংলাপ প্রত্যক্ষ করেছি। কিন্তু আমাদের বোধোদয় হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা এ জন্য সব সময়ই শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বকে দায়ী করে আসছেন। দুর্ভাগ্য এ জাতির যে, তারা তাদের নেতৃত্বকে সমঝোতার বদলে সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছতে দেখেছেন। গ্রামদেশে একপক্ষ অপরপক্ষের ‘বারোটা’ না বাজানো পর্যন্ত আলোচনায় বা মীমাংসায় রাজি হয় না। তাহলে আমরা কি ‘ভিলেজ পলিটিকস্’ দ¦ারা ন্যাশনাল পলিটিকস্ নিয়ন্ত্রণ করছি?
গত ৫ নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপার্সন, ২০ দলীয় জোটনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় সংলাপের যে আহ্বান জানান সে পরিপ্রেক্ষিতে সংলাপের বিষয়টি আবার নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্ব অর্জন করে। এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়ে দেন যে, ‘বাংলাদেশ এমন কোনো রাজনৈতিক সঙ্কটে পড়ে নাই বা এত রাজনৈতিক দৈন্যে পড়ে নাই যে একজন খুনির সঙ্গে বসতে হবে’। উভয় নেত্রীর এই উত্তর-প্রতিউত্তর খানিকটা হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়িয়ে দেয়। সরকারি খুন এবং বেসরকারি খুনের সংখ্যা নিয়ে হিসাব নিকাশ করা হয়। এ অবস্থায় জাতীয় সঙ্কট নিরসনে দেশের নাগরিক সাধারণ তথা সিভিল সোসাইটির তরফ থেকে আহ্বান আসে, ‘তবুও আলোচনায় বসুন’। সিভিল সোসাইটির পক্ষ থেকে এই আহ্বান নতুন নয়। ইতঃপূর্বে ‘জাতীয় সঙ্কট নিরসনে জাতীয় সংলাপ’ এর আহ্বান জানিয়েছিলেন সিভিল সোসাইটির শীর্ষ ব্যক্তিরা। পরবর্তীকালে আরো আবেগ ও যৌক্তিকতা দিয়ে ‘উদ্বিগ্ন নাগরিকদের পক্ষে’ সঙ্কট সমাধানের একমাত্র পন্থা হিসেবে সংলাপ আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়। এ ক্ষেত্রে ‘সুজন’ এর সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার একটি ভিন্নধর্মী সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি জাতীয় সঙ্কট নিরসনে একটি ‘জাতীয় সনদ বা নাগরিক সনদ’ স্বাক্ষরের লক্ষ্যে সংলাপের সূচনা করতে চেয়েছিলেন। এসব উদ্যোগের মধ্য দিয়ে মূলত নাগরিক সমাজের সতত উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের নেতিবাচক ইতিহাস এবং জটিল জনচরিত্র সত্ত্বেও এই উপলব্ধি সবার যে, সমস্যা-সঙ্কট যত কঠিন ও কুটিল হোক না কেন একমাত্র সংলাপের মাধ্যমেই এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা অতি সাম্প্রতিক সময়ে জাতি যে রক্তপাত অতিক্রম করছে তা মোটেই স্বাভাবিক অবস্থার পরিচায়ক নয়। সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। ১৩ দিনের ব্যবধানে দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দু’জন সদস্য। এর আগে নিহত হয়েছেন দু’জন বিদেশী নাগরিক। এরপরও রক্তপাত বন্ধ হয়নি। দুর্বৃত্তদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন একজন প্রকাশক। আহত হয়েছেন আরো দু’জন। মিলিটারি পুলিশ জখম হয়েছে। কারারক্ষী আহত হয়েছে। মাজারের একজন খাদেমকে হত্যা করা হয়েছে। এর ফলে চার দিকে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা গোটা জাতিকে গ্রাস করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে বাংলাদেশকে সিরিয়া বা লিবিয়া বানানোর ষড়যন্ত্রের কথা বলছেন।
এ ধরনের জাতীয় সঙ্কট ও দুর্যোগে দলমত নির্বিশেষে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য জাতীয় ঐক্য জরুরি। যেকোনো সরকার তার জনগণের সাহায্যসহযোগিতা এবং সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস সরকারকে শক্তিশালী করে তোলে। জনগণের অংশগ্রহণে সঙ্কট উত্তরণে সফল হয় যেকোনো সরকার। আর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের সহায়তা নিশ্চিত হয়। সরকার অহরহই জনগণের সহযোগিতা কামনা করে বক্তৃতা-বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু জনগণের সহযোগিতা লাভের জন্য যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি প্রয়োজন সরকার কাজ করছে তার বিপরীত। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হচ্ছে সেই উপায় যার মাধ্যমে সরকারের প্রতি জনসমর্থন বা অসমর্থন ব্যক্ত হয়ে থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় সরকার সেই নির্বাচনপদ্ধতিকে তামাশায় পরিণত করেছে। এমনিতেই আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে গণতন্ত্র কার্যত অনুপস্থিত। সে জন্য রাজনীতি চিন্তকরা এ ধরনের গণতন্ত্রকে ইলেকট্রোক্র্যাসি বা নির্বাচনতন্ত্র বা একদিনের গণতন্ত্র বলে অভিহিত করে থাকেন। ক্ষমতাসীন সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সেই ইলেকট্রোক্র্যাসি বা একদিনের ভোটাধিকারের গণতন্ত্রটুকুও হরণ করেছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সরকারপ্রধান জনগণকে আশ্বস্ত করেছিলেন আরেকটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু তা না করে একমাত্র শক্তি প্রয়োগের শাসন কায়েম হওয়ায় সঙ্গতভাবেই সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় সঙ্কট উত্তরণের উপায় হিসেবে জনগণকে সংগঠিত করা প্রয়োজন। তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন সম্ভব নয়। সরকার যা করতে পারে তা হচ্ছে জাতীয় ঐক্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা। ১০ম জাতীয় সংসদে নামকাওয়াস্তে বিরোধী দল থাকলেও কার্যত প্রধান বিরোধী দলগুলো সংসদীয় কাঠামোর বাইরে রয়েছে। এ মুহূর্তে সঙ্কট উত্তরণের জন্য সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের আয়োজন করতে পারে। আমাদের বর্তমান সময়ে সঙ্কট প্রধানত তিন ধরনের। প্রথমত, রাজনৈতিক সঙ্কট। উদাহরণ: যথার্থ প্রতিনিধিত্বহীন জাতীয় সংসদ। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক সঙ্কট। উদাহরণ: দেশী-বিদেশী বিনোয়োগের অনুপস্থিতি এবং অবাধ লুটপাট। তৃতীয়ত, জাতীয় নিরাপত্তা সঙ্কট। উদাহরণ: সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলো। আইএস উপস্থিতির গুজব। বিদেশী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।
রাজনৈতিক সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য অবিলম্বে সংলাপের মাধ্যমে সত্যিকার প্রতিনিধিত্বশীল জাতীয় সংসদ গঠন প্রয়োজন। অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য শান্তি-শৃঙ্খলাপূর্ণ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন। জাতীয় নিরাপত্তা সঙ্কট উত্তরণের জন্য গণবান্ধব, সক্ষম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজন। সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলো বিশ্লেষণ করলে দু’ধরনের বৈশিষ্ট্য বেরিয়ে আসে। বিদেশী নাগরিক হত্যাকাণ্ডে বিদেশী বিষয়-আশয় থাকতে পারে। অপর দিকে দেশী হত্যাকাণ্ডগুলো দেশজ সমস্যা উ™ভূত হতে পারে। বিগত বছরগুলোতে দেশে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে খুন, গুম, হামলা, মামলা এত হয়েছে যে, জনগণের কোনো অংশ সংক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারে। সরকারের উচিত জনগণের ক্ষোভ প্রশমন করা। উল্টো ওই সব হত্যাকাণ্ডের পর সরকার আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে হয়। প্রমাণ হিসেবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যাবলি উল্লেখ করা যায়। পুলিশকে সরাসরি গুলিবর্ষণের নির্দেশ পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। বিরোধী দলের শীর্ষ নেত্রীবৃন্দকে আটক, পুনঃআটক, জামিন বাতিল এবং নতুন করে হয়রানি শুরু হয়েছে। প্রতিদিন গণমাধ্যমে হাজার হাজার বিএনপি-জাময়াত কর্মীর গ্রেফতার হওয়ার খবর আসছে। অথচ এ সময়ে সহযোগিতা, আস্থা বড়বেশি প্রয়োজন ছিল। দুর্ভাগ্যের বিষয় সরকার জাতীয় নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয়কে নৈর্ব্যত্তিকভাবে গ্রহণ না করে ক্ষমতা পাকাপোক্তকরণের উপায় হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে জাতীয় সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। সৈয়দ আশরাফ যে ভাষা ও শর্তের কথা বলেছেন মূলত তা সংলাপকে নাকচ করার নামান্তর। এ দিকে সিভিল সোসাইটি সংলাপকে সঙ্কট উত্তরণের একমাত্র পন্থা বলে বর্ণনা করছে। একটি দেশে জনগণ যদি ক্ষমতার উৎস হয়ে থাকে তাহলে শুধু সরকারের আশায় কোটি কোটি মানুষ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে পারে না। ক. সংলাপের প্রধান প্রবক্তা বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উচিত গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সব রাজনৈতিক দলের সাথে অবিলম্বে সঙ্কট উত্তরণের উপায় সম্পর্কে সংলাপের সূচনা করা। খ. সিভিল সোসাইটির উচিত ‘উদ্বিগ্ন নাগরিকদের পক্ষের’ উদ্যোগের মতো প্রয়াসকে সরব করা। গ. শিক্ষক, লেখক এবং আইনজীবীর মতো পেশাজীবীদের জাতীয় স্বার্থে ভূমিকা গ্রহণ। ঘ. সাধারণ নাগরিকদের উচিত ‘সুজন’এর মতো জাতীয় বা নাগরিক সনদ স্বাক্ষরের উদ্যোগ করে সরকারকে সংলাপ সূচনায় বাধ্য করা। নাগরিক সাধারণ বিশ্বাস করে যেকোনো রাজনৈতিক বিরোধ বা যুদ্ধের অবসান একমাত্র সংলাপের মাধ্যমেই সম্ভব। সরকারের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে আবারো আবেদন জানাই সংলাপ করুন-সঙ্কট দূর করুন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫