ঢাকা, বুধবার,১৩ নভেম্বর ২০১৯

পাঠক গ্যালারি

বিদেশে চাকরির জন্য কারিগরি শিক্ষা অত্যাবশ্যক

আবু ইউসুফ মজুমদার

২২ ডিসেম্বর ২০১৫,মঙ্গলবার, ১৯:২২


প্রিন্ট

দেশের বাইরে প্রায় এক কোটি বাংলাদেশী কর্মরত। এদের বেশির ভাগ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। তাদের মধ্যে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ২০ শতাংশের বেশি নয়। ৮০ শতাংশই কনস্ট্রাকশনসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমিকের কাজ করেন। সাধারণ লেবার ও টেকনিশিয়ানদের আয়ের ব্যবধান ক্ষেত্রবিশেষে তিন গুণের চেয়েও বেশি। এমনো দেখা যায়, ১০-১২ বছর একজন শিক্ষিত লোক বিদেশে শ্রমিকের চাকরি করলেও দেশে এসে কোনো একটা টেকনিক্যাল কাজ শেখেন না। এ কারণে সারা জীবন বিদেশে কাটিয়েও অনেকে বলেন- ভালো করতে পারিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তাদের শত বছরের চাহিদা বিবেচনা করে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সড়ক, আবাসিক এলাকা, অফিস ভবন এবং হোটেল ও মার্কেটগুলো নির্মাণ করছে। এসব অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ হলে তাদের সাধারণ শ্রমিক বা লেবারের প্রয়োজন কমে আসবে। বরং তখন সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টেকনিশিয়ানদের চাহিদা বেড়ে যাবে। অধিকসংখ্যক লেবারজাতীয় জনশক্তি সেখানে কাজ করার কারণে তাদের ধারণা জন্মাবে, বাংলাদেশীরা নিছক এ কাজের উপযুক্ত।
মধ্যপ্রাচ্যে যারা চাকরির জন্য যাবেন, তাদের সবাইকে ভালোভাবে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়া দরকার। ইলেকট্রিক্যাল, ফ্রিজ, এসি মেকানিক, ওয়েল্ডার, পাইপফিটার, অটোমোবাইল মেকানিক ও ড্রাইভিংসহ সংক্ষিপ্ত কোর্সে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি মানসম্পন্ন টেকনিক্যাল সেন্টারের মাধ্যমে শিক্ষা দেয়া জরুরি। ভালো টেকনিশিয়ানেরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পর দেশে এসেও টাকার সদ্ব্যবহার করতে পারবেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো দ্রুত কারিগরি শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদেরও সমানতালে যুগের চাহিদা অনুযায়ী চলা দরকার।

লেখক : অধ্যক্ষ, বেসিক টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, দেওয়ানহাট মোড়, চট্টগ্রাম

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫