Naya Diganta

নারী দিবস

পরিবারের সহযোগিতাই নারীকে এগিয়ে দেয় : মাসুমা খাতুন শাম্মী, স্বত্তাধিকারী, মাদল

সাক্ষাৎকার : নীপা আহম্মেদ

০৮ মার্চ ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


শাশুড়ি হোসনে আরা বেগমের সাথে মাসুমা খাতুন শাম্মী

শাশুড়ি হোসনে আরা বেগমের সাথে মাসুমা খাতুন শাম্মী

২০১৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর পান্থপথে চতুর্থ তলায় ১৩০০ স্কয়ারফিট জায়গায় শুরু হয় ফ্যাশান হাউজ মাদলের যাত্রা। প্রথম শুরু হয় শাড়ির কালেকশন দিয়ে। চলমান ট্রেন্ড, ঐতিহ্য, আকর্ষণীয় নকশা আর সে অনুযায়ী দামের পাল্লাও কিছুটা কম ভারী। সব মিলিয়ে ক্রেতাকেই সন্তুষ্ট করতে চেয়েছেন বারবার। ক্রেতাদের চাহিদা দেখে মাদলকে আরো বড় করার স্বপ্ন বোনেন। কাজের সঙ্গী হিসেবে সব সময় সাথে পেয়েছেন স্বামীকে। যার ফলে সাহস ও উৎসাহ দুটোই বেড়েছে। এবার আর ব্যবসা বড় করতে বিপত্তি নেই।
প্রথম তলায় দেশী কৃষিপণ্যের সমাহার, সাথে দেশী খাবার। দ্বিতীয় তলায় শাড়ি, ছেলেমেয়েদের পোশাক, দেশীয় গয়না, শিশুদের আইটেম ও দেশীয় গিফট আইটেম থাকে। আছে দেশীয় সিডি ও বই। চতুর্থ তলায় কনভেনশন হল (বৈঠক ঘর)। এ ছাড়া আছে মাদল ক্যাটারিং সার্ভিস।
এভাবেই স্বপ্নের পথ ধরে চলছে মাদল। বলছিলাম মাদলের উদ্যোক্তা মাসুমা খাতুন শাম্মীর কথা।
হাঁটি হাঁটি করে মাদলের এখন বিশাল পসরা। শুরুটা কী করে করলেন? জানতে চাই শাম্মীর কাছে। অনার্স প্রথম বর্ষে বিয়ে হয়। প্রথম সন্তান হলো। অনার্স শেষ করলাম। এরপর মাস্টার্সে ভর্তি হলাম। এরই মধ্যে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হলো। মাস্টার্স পাস করে চাকরি করার সুযোগ থাকলেও সংসার ও সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব ও পিছুটান উপেক্ষা করতে পারিনি। আমার শ্বশুর অসুস্থ হয়ে পড়ায় শাশুড়ি নিজে চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে শ্বশুরের সেবাযতœ করেন। আমি বাড়ির বড় বউ হওয়ায় সংসারে বেশ দায়িত্ব পালন করতে হয়। এভাবেই চলছিল। শ্বশুরের মৃত্যুর পর শাশুড়ি কাজী হোসনে আরা বেগমই প্রথম এই ফ্যাশন হাউজ মাদল শুরু করার পরিকল্পনা করেন। দেশীয় ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়ে রুচিশীল ভোক্তাদের প্রয়োজন মেটানোর তাগিদে মাদলের পথচলা। বাংলার ঐতিহ্যকে আধুনিক ও রুচিসম্মত করে সবার কাছে তুলে ধরাই আমার প্রচেষ্টা।
মাসুমা খাতুন শাম্মী বলেন, পরিবারের সহযোগিতায়ই এগিয়ে দেয় নারীকে। তাই পরিবারের অন্য সদস্যদের উচিত নারীদের উৎসাহ দেয়া।

Logo

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,    
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫