Naya Diganta

হাতিরঝিলে মৃত্যুফাঁদ

০৮ মে ২০১৮,মঙ্গলবার, ০০:০০


বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবেল আহমেদ কাওরান বাজার থেকে হাতিরঝিল হয়ে হেঁটে মগবাজার মধুবাগ এলাকায় ফিরছিলেন। কিন্তু হাতিরঝিলের সড়ক পার হওয়ার সময় উল্টো পথে আসা একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত হন তিনি। সর্বশেষ রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকার হাতিরঝিল অংশে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ রকম হতাহতের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে হাতিরঝিলে। মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের বেপরোয়া গতি ও একমুখী সড়কে (ওয়ানওয়ে রোড) উল্টো পথে গাড়ি চলাচলের কারণে ঘটছে এসব দুর্ঘটনা। কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থা নেই। তা ছাড়া রাতের বেলা এখানে মোটরসাইকেল ও রেসিং কার প্রতিযোগিতাও হয়। এমন কার প্রতিযোগিতার কারণে রাত ১১টা থেকে গভীর রাতে এ পথে গাড়ি চালাতে সাধারণ চালকেরাও আতঙ্কিত ও সাবধান থাকেন। বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় বিপাকে পড়ছেন দর্শনার্থীরা।
হাতিরঝিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখান গাড়ির গতিসীমা ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা আছে। যদিও গাড়িচালকেরা তা মেনে চলেন না। এমনকি আঁকাবাঁকা স্থানগুলোতেও অতিরিক্ত গতিসীমায় গাড়ি চালাচ্ছেন চালকেরা। তবে সেখানে ট্রাফিক কন্ট্রোল করার জন্য পুলিশের ট্রাফিক বিভাগকে বলা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাতিরঝিল সড়কে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ কিংবা সিগন্যালের কোনো ব্যবস্থা নেই। নেই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা। মধুবাগসংলগ্ন হাতিরঝিল ব্রিজের কাছে দেখা যায়, দক্ষিণ পাশে ক্রসিং। অর্থাৎ হাতিরঝিলের পূর্ব দিক থেকে যাওয়া গাড়িগুলো দ্রুতগতিতে ক্রসিংটি পার হচ্ছে। আবার ব্রিজের উত্তর পাশ থেকে যাওয়া অনেক গাড়ি ডান দিকে মোড় নিচ্ছে, অনেক গাড়ি আবার ক্রসিং পার হয়ে মধুবাগ-মীরবাগের দিকে ঢুকছে। পূর্ব দিক থেকে অনেক গাড়ি ব্রিজের ওপর দিয়ে গুলশানেও যায়। ব্যস্ততম এই ক্রসিংয়ে নেই কোনো সিগন্যাল বাতি, নেই ট্রাফিক পুলিশ। এতে গাড়িগুলো চলছে ইচ্ছামতো গতিবেগে।

Logo

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,    
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫