Naya Diganta

মোহামেডানের ৮ গোলে জয়

মেরিনার্সেরও বড় জয়

ক্রীড়া ডেস্ক

১৯ মে ২০১৮,শনিবার, ০০:০০


মোহামেডানের জিমি গোল না পেলেও প্লেমেকারের ভূমিকায় ছিলেন। তার ক্রসে ৩টি গোল করেন নাসির : মোহাম্মদ শরীফ

মোহামেডানের জিমি গোল না পেলেও প্লেমেকারের ভূমিকায় ছিলেন। তার ক্রসে ৩টি গোল করেন নাসির : মোহাম্মদ শরীফ

গতকাল ছিল প্রথম রোজা। ধর্মীয় অনুভূতি থেকে মুসলমান হিসেবে পারতপক্ষে কেউ প্রথম রোজা মিস করতে চান না। রোজা রেখে ম্যাচ খেলা (বিশেষ করে ফুটবল, হকি) দুরূহ একটি ব্যাপার। অতীতে হয়তো দুই-তিনজন রোজা রেখে হকি খেলেছেন। কিন্তু গতকাল মেরিনার্সের দুই-তৃতীয়াংশ খেলোয়াড়ই রোজা রেখে বাংলাদেশ স্পোর্টিং ক্লাবের (বিএসসি) বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলেছেন। আর অষ্টম ম্যাচে মেরিনার্স ৮-১ গোলে হারায় বিএসসিকে। নিজেদের অষ্টম ম্যাচে কম যায়নি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবও। মেরিনার্সের সাথে পাল্লা দিয়ে তারাও সোনালী ব্যাংককে হারায় ৮-২ গোলে।
এবারের লিগে হ্যাটট্রিক যেন মামুলি ব্যাপার। নতুন নিয়মের কারণেই হ্যাটট্রিক অধরা কোনো বিষয় নয়। মেরিনার্সের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন পিসি স্পেশালিস্ট মামুনুর রহমান চয়ন (৪) ও মঈনুল ইসলাম কৌশিক (৩)। বাকি গোলটি আজিজুল ইসলামের। বিএসসির হয়ে একটি গোল শোধ করেন ভারতীয় রিক্রুট রবিন্দর সিং।
দ্বিতীয় ম্যাচে মোহামেডান ও সোনালী ব্যাংকের মধ্যকার খেলায় একটা সময় মনে হয়েছিল অঘটনই ঘটতে যাচ্ছে। লিগের প্রথম অঘনটি বোধহয় মোহামেডানের পরাজয় কিংবা ড্র। যথেষ্ট কারণও রয়েছে। প্রথমার্ধে ২-২ গোলে ড্র। প্রথমে দুই গোল দেয়ার মোহামেডানের জালে দু’বার বল পাঠিয়ে খেলায় সমতা আনে সোনালী ব্যাংক। দর্শকদের সে ধারণা পাল্টে দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় মোহামেডান। গতকালও জিমি ছিলেন প্লে মেকারের ভূমিকায়। অবশ্য গোলের নেশাও পেয়ে বসেছিল কিছুক্ষণের জন্য। তিনটি পিসি থেকে শটও নিয়েছেন কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি।
তবে জিমির বারবার আম্পায়ারের সাথে আরগুমেন্ট উপস্থিত দর্শকদের দৃষ্টিকটু লেগেছে। ভিআইপি গ্যালারিতে বসা কয়েকজন দর্শক বলছিলেন জিমি কুল-কুল-কুল। মাথা গরম না করলে আমরা আরো কয়েকটি গোল পাবো। হয়েছেও তাই। যেখানে প্রথমার্ধে সমতা। সেখানে শেষ পর্যন্ত ৮-২ গোলের জয়। শেষদিকে মোহামেডানের কৌশলের কাছে পেরে উঠেনি ব্যাংকের সেনানীরা। বিশেষ করে সাদাকালো শিবিরের বিদেশী গুরজিন্দর সিং, অরবিন্দর সিং, সমশের সিং এবং দেশী নাসির হোসেন ছিলেন দুর্দান্ত। নাসিরের তিনটি গোলের পেছনেই অবদান জিমির। তার ক্রশেই কানেক্ট করেন নাসির। পুরো ম্যাচে ৯টি পিসি পায় মোহামেডান। কাজে লাগাতে পারে মাত্র দু’টি। এটিও ব্যর্থতার একটি দিক। সোনালী ব্যাংককে সে সুযোগ দেয়নি মওদুদুর রহমান শুভর শিষ্যরা। একটি মাত্র পিসি তাদের। যেটি বারের বাইরে দিয়ে যায়।
মোহামেডানের পক্ষে হ্যাটট্রিক করেন নাসির হোসেন (৪টি), গুরজিন্দর সিং (৩টি)। অন্য গোলটি অরবিন্দর সিংয়ের। ব্যাংকের হয়ে দুটি গোল শোধ করেন রাজীব দাস (ফিল্ড) ও তানজিম আহমেদ (স্ট্রোক)। আজ ২টা ৩০ মিনিটে লড়বে ভিক্টোরিয়া এসসি বনাম পুলিশ ক্লাব এবং ৪টা ৩০ মিনিটে লড়বে অ্যাজাক্স ও আজাদ এসসি।

Logo

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,    
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫