ঢাকা, শুক্রবার,২৯ মে ২০২০

উপসম্পাদকীয়

সৌদি আরবের বাজার থেকে ঋণ নেয়া

গৌতম দাস

২৪ এপ্রিল ২০১৬,রবিবার, ১৯:০৬


গৌতম দাস

গৌতম দাস

প্রিন্ট

সৌদি আরব নিজের বাজেট ঘাটতি মোকাবেলার জন্য আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ধার নিচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পথে। গত ২০ এপ্রিল রয়টার্স নিউজ এজেন্সি এমন এক এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট করেছে। গত মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এমন খবর দিচ্ছিল এই সংস্থা। ব্যাপারটা আজব শোনালেও এটা একটা ফ্যাক্টস। কিন্তু খবরটা শোনার পর থেকে আমরা কী করে খবরটাকে দেখব? সৌদি আরব শেষ? দেউলিয়া হওয়ার পথে? অবশ্যই না। তবে সৌদি আরব শব্দটির সাথে প্রাচুর্য শব্দের সম্পর্ক এবার একটু ঢিলেঢালা হবে। 

তবে এই তথ্যকে পড়ব কেমন করে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন আমাদের মনে রাখতে হবে, এখনো সৌদি আরবের সঞ্চিত বৈদেশিক সম্পদের পরিমাণ ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যদি তাই হয় তাহলে আবার ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ করতে চাইছে কেন? কারণ ওই বৈদেশিক সম্পদ কোথাও-না-কোথাও দীর্ঘকালীন বিনিয়োগ করা আছে বলে আমরা ধরে নিতে পারি। থাকাই স্বাভাবিক। নিশ্চয়ই চাইলে সেটার পুরাটাই বা অংশ তুলে আনা সহজ বা সম্ভব নয়। বরং সে তুলনায় বাজার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার আলাদা করে ধার করে নেয়াই সুবিধার। এ ছাড়াও আসলে সৌদি আরবের বাজেট ঘাটতিও মাত্র ১০ বিলিয়ন ডলারের নয়, এটা প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি ছিল। কিন্তু সেটা কমিয়ে আনতে পেরেছে, মানে অর্থ জোগাড় করতে সক্ষম হয়েছে সৌদি সরকারি বন্ড পুঁজিবাজারে বিক্রি করে। আর সাইকোলজিক্যাল এফেক্টের ফ্যাক্টর একটা দিক আছে, কোনো রাষ্ট্রের সরকারি বন্ড বিক্রি করে অর্থ আয় সংগ্রহকে আমরা বাজার থেকে ঋণ করার চেয়ে সরকারের জন্য অনেক সম্মানের গণ্য করে থাকি। অথচ দুটোই বাজার থেকে সুদ বা লাভের বিনিময়ে বিনিয়োগ বা অর্থ সংগ্রহ।
সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্টরের দিক থাক, এই ঋণ করাতে সৌদি আরবকে কী হারে সুদ দিতে হবে? প্রথমত, আমাদের মনে রাখতে হবে যেসব ঋণগ্রহীতার জন্য সাধারণ স্থির সুদের হার আগে বলে কিছু নেই। ঋণদানকারী কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান কী হারে তার ঋণগ্রহণকারীকে সুদ চার্জ করবে এমন কোনো সাধারণ সুদহার সবার জন্য আগে থেকে নির্ধারিত থাকে না। বড় কোনো করপোরেট খাতক অথবা খোদ কোনো রাষ্ট্র নিজেই যখন খাতক হিসেবে আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে ঋণ নেয়ার জন্য হাজির হয় এমন সব বড় ঋণ লেনদেনের ক্ষেত্রে, সুদের হার একমাত্র খাতকটি কে তার ওপর নির্ভর করে। একেক খাতকের ক্ষেত্রে সুদের হার চার্জ করা হয় একেক রকম। কথাটি আরো সোজা করে বললে, ঋণখাতকের ওপর ঋণদাতার আস্থা, খাতকের পরিশোধক্ষমতা কেমন, তার ব্যবসা আয় আমদানি কেমন চলছে বলে বাজারের ধারণা, বাজারে আগে থেকে নেয়া খাতকের অপরিশোধিত ঋণ আছে কি না থাকলে পরিমাণ কেমন, পরিশোধের স্ট্যাটাস কেমন ইত্যাদি হাজারো ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে ওই গ্রাহক কত হার সুদ ও শর্তে নতুন ঋণ পেতে পারে। যেহেতু প্রতিটি ঋণখাতকের এসব ফ্যাক্টস ফিগার একেক রকম হবে এবং এটাই স্বাভাবিক সে জন্য প্রত্যেক ঋণ খাতকের সুনির্দিষ্ট এসব ফ্যাক্টস ফিগার বিশ্লেষণ করেই কেবল তার বেলায় সুদের হার কত হবে তা হিসাব করে বলা হয়। আসলে এসব বাছবিচারে ঋণদাতারা মূলত যা খোঁজেন বা বুঝতে চান, তা হলোÑ সুনির্দিষ্ট ঋণখাতক বা গ্রহীতার ক্ষেত্রে ঋণ সুদ-আসলে ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে রিস্ক কতটা, কী মাত্রার। যেকোনো ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে খাতকের সুনাম কেমন বা কতটা, এটাও আরেক ভাষায় তার বেলায় প্রাপ্য ঋণের সুদের হার। আবার সভরেন লোন বা সার্বভৌম ঋণ বলে একটা কথা আছে। স্বভাবতই এটা খোদ কোনো রাষ্ট্র যখন ঋণগ্রহীতা সে ক্ষেত্রের বিষয়, তাই একে ‘সভরেন লোন’ বলা হয়। কোনো ব্যক্তি কোম্পানি খাতকের চেয়ে রাষ্ট্রখাতক হলে এ ক্ষেত্রে ঋণদাতার স্বার্থের দিক থেকে দেখা ফারাক ও সুবিধার বিষয় হলো, এখানে তার রিস্ক তুলনামূলক কম। কারণ খোদ কোনো রাষ্ট্রখাতকের দেয়া পরিশোধের গ্যারান্টি বা প্রতিশ্রুতির মূল্য বেশি। ব্যক্তি-কোম্পানি দেউলিয়া হয়ে গেলে গেল। কিন্তু রাষ্ট্রখাতকের বেলায় ঠিক তা নয়। আবার বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া এমন দুই রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এরা ঋণখাতক হলে খাতক হিসেবে এদের দেয়া প্রতিশ্রুতির বাজারমূল্য একই মান ও মাপের নয়। ফলে এ দুই দেশের ঋণপ্রাপ্তিতে এদের সুদের হার একই রকম হবে না। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের তুলনায় কম সুদে ঋণ পাবে। কারণ তার অর্থনৈতিক অবস্থা, সাইজ আমাদের চেয়ে ভালো তাই। আবার গ্রাহকভেদে কাকে ঋণ দিলে রিস্ক কেমন বা কতটা তা মেপে বলতে পারে এমন কিছু টেকনিক্যাল এক্সপার্ট কোম্পানিও আছে। এদেরকে লোন রেটিং কোম্পানি বলে। এরা ঋণদাতা অথবা ঋণগ্রহীতা কারো পক্ষেরই প্রতিনিধিত্ব করে না, বরং একটা বাস্তব নিরপেক্ষ ক্যালকুলেশনে সাব্যস্ত করা তথ্যের ভিত্তিতে রেটিং করে থাকে।
রয়টার্সের ওই রিপোর্ট সৌদি আরবের নিতে চাওয়া ঋণের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সুদের হার কেমন হবে এর একটা ধারণা দিয়েছে। যেমন ‘স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস’ নামে এক লোন রেটিং কোম্পানি সৌদি আরবের লোন রেটিং নির্ধারণ করেছে গত ফেব্রুয়ারি মাসেÑ এতে সৌদির ঋণ পাওয়ার মান দুই ধাপ কমিয়ে দিয়েছে। করেছে ‘এ-মাইনাস’। এই মানগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের গ্রেড এ-প্লাস, এ-মাইনাস ধরনের রেটিংয়ের মতোই। তবে লোন রেটিংয়ের ক্ষেত্রে স্তর বা ধাপের সংখ্যা এখানে আরো অনেক বেশি। যেমন এ তিন প্লাস অথবা এ তিন মাইনাস বলেও স্তর আছে।
রয়টার্সের রিপোর্ট বলছে, সৌদি আরবের এখনো ৬০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্পদে বিনিয়োগ আছে আর পুঁজিবাজার থেকে আগে তার নেয়া ঋণ প্রায় নেই বললেই চলে। তাই বরং সৌদিদের ঋণ দেয়ার আগ্রহ বাজারেরই বেশি। এসব তথ্যের ফাঁকে ওই রিপোর্ট আরো কিছু বাড়তি দিকে আলোকপাত করেছে। যেমনÑ সৌদি আরবের ঋণবাজারে গ্রহীতা হিসেবে আগমনের মূল কারণ দুই বছর ধরে তেলের মূল্যের অব্যাহত পতন। বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ৩৫-৪০ ডলারে নেমে আসা তেলের মূল্য। এটা সৌদি আরবসহ বাকি ছয়টা বাদশাহশাসিত ও তেল বিক্রি করে চলা গালফ রাষ্ট্রের সবার ওপরই প্রভাব ফেলেছে। ইতোমধ্যে সৌদি আরবের মতোই ঋণগ্রহীতা হওয়ার পথে রওনা হয়ে গেছে কাতার ও ওমান। যদিও তাদের ঋণের চাহিদার পরিমাণ সৌদি আরবের তুলনায় কম। রয়টার্স নিজের গত ৯ মার্চের রিপোর্ট বলেছিল, কাতার ও ওমানের বেলায় তাদের ঋণে ধার্য সুদের হার সৌদিদের বেলায়ও সাব্যস্ত সুদের হারের স্ট্যান্ডার্ড হয়ে হাজির হবে। এবার গত ২০ এপ্রিলের রিপোর্টে দেখা যায় প্রায় তাই হতে যাচ্ছে।
বড় করপোরেট ঋণ বা সভরেন ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার জানানোর বা প্রকাশের স্টাইল হলোÑ লিবর রেটের ওপর ১২০ বেসিস পয়েন্ট এভাবে। এর অর্থ কী? ইংরেজি এলআইবিওআর (উচ্চারণে লিবর) হলো লন্ডন ইন্টার-ব্যাংকিং অফারড রেটÑ কথাটার সংক্ষিপ্ত রূপ। এটাই ব্রিটিশ ব্যাংকিং অ্যাসোসিয়েশনের দ্বারা ঘোষিত প্রতিদিনের আন্তঃমুদ্রার গড় বিনিময় হার। এখান থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মুদ্রার (মূলত টপ চারটা) বিনিময় হারের প্রতিদিনের ওঠানামার গড় মূল্যমান পাওয়া যায়। তো এবার সেই লিবর রেটের ওপর ১২০ বেসিস পয়েন্ট বললে এর মানে হলো লিবরের ওপরে ১.২ শতাংশ সুদ। গত জানুয়ারিতে নেয়া ওমানের মাত্র ১ বিলিয়ন ডলার আর কাতারের ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণের ওপর সুদের হার বলা হয়েছিল, লিবরের ওপর যথাক্রমে ১২০ এবং ১১০ বেসিস পয়েন্ট। চলতি এপ্রিলে সৌদি আরবের ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণের বেলায়ও ওই হারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে রেট হতে যাচ্ছে ১২০ বেসিস পয়েন্ট। স্বভাবতই পুঁজিবাজারের চোখে এটা খুবই সস্তা রেটে পাওয়া ঋণ।
কেন সস্তা বলছি সে প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে, কারা কারা এই ঋণদাতা হতে যাচ্ছে এ প্রসঙ্গে রয়টার্স জানাচ্ছে, এমন দাতা হতে যাচ্ছে আমেরিকান, ইউরোপীয় ও জাপানের মিলিতভাবে কিছু দাতা ব্যাংক। যেমন আমেরিকার জেপি মর্গান ব্যাংক, ব্রিটিশ এইচএসবিসি বা হংকং সাংহাই ব্যাংক ও জাপানি ব্যাংক অব টোকিও-মিতসুবিশি এই তিন ব্যাংক প্রত্যেকে ১.৩ বিলিয়ন করে আর বাকিটা অন্যরা এভাবে মোট ১০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হচ্ছে।
যে কথা বলছিলাম, সামগ্রিক দিক বিচারে বললে এটা খুবই সস্তা সুদে পাওয়া ঋণ। কারণ লিবর রেট শুনতে বড়সড় কিছু লাগলে এটা মূলত মুদ্রার দর ওঠানামার প্রভাবে কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এ লক্ষ্যে নেয়া অ্যাডজাস্টমেন্ট পদক্ষেপ। যেমন কেউ যদি ১০০ ডলার ঋণ নেয় তবে পরিশোধের সময়ে দেয়া ১০০ ডলার যেন একই মানের হয়, ফেরত দেয়ার সময়ের ১০০ ডলারের মান যদি নেয়ার সময়ের চেয়ে এক ডলার কমে গিয়ে থাকে তবু যেন ওর মান যতটা সম্ভব একই রাখা যায়। লিবর হলো এরই লক্ষ্যে নেয়া অ্যাডজাস্টমেন্ট পদক্ষেপ। গড়ে যতটা সম্ভব সমান করার চেষ্টা। কারণ কোনো মুদ্রার অন্য মুদ্রার সাথে বিনিময় হার একই রকম থাকে না, সময়ের সাথে ওঠানামা করে। আর ওদিকে বেসিস পয়েন্টের হিসাব শুনে বিরাট কিছু ভাবার কিছু নেই। কারণ বেসিস পয়েন্টের হিসাব মানেই যখন ঋণে সুদের হার ১ শতাংশের ভগ্নাংশে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম হিসেবে চলে যায়। যেমন আলোচ্য ক্ষেত্রে ১২০ বেসিস পয়েন্ট মানে আসলে ১.২ শতাংশ সুদ।
আরো কিছু তুল্য তথ্য এখানে দেয়া যাক যা দেখে আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে ঋণের সুদের হার সম্পর্ক একটা তুলনামূলক ধারণা হয়। আমাদের মতো দেশকে বিশ্বব্যাংকের দেয়া অবকাঠামো খাতের ঋণে কনসেশনাল সুদের হার ০.৭৫ শতাংশ (১ শতাংশের নিচে) যাকে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ বলতে পারি। বাংলাদেশ রাষ্ট্র (মানে সভরেন লোন) সম্ভবত আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে বাণিজ্যিক ঋণ নিতে চাইলে এর সুদের হার হবে ৬ শতাংশের ওপরে, ৮ শতাংশের মধ্যে। মানে ৬০০-৮০০ বেসিস পয়েন্টে। আবার একই বিশ্বব্যাংক থেকে কনসেশনাল ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা ছাড়িয়ে ভালো অর্থনীতিতে পৌঁছে গেলে তখন বিশ্বব্যাংক আর কনসেশনাল সুদহারের ঋণ দেবে না। এর বদলে বিশ্বব্যাংক গ্রুপেরই অন্য সহপ্রতিষ্ঠান ‘আইএফসি’ থেকে বাংলাদেশ বাণিজ্যিক লোন (তবে আর সরকার না, ব্যক্তি খাত) পেতে পারে যার সুদ হবে ৪ শতাংশ থেকে এর ওপরে সম্ভবত ৪.৫ শতাংশ।
তাহলে এসব সুদহারের তুলনায় দেখা যাচ্ছে, সৌদি আরব প্রদেয় সুদের হার হতে যাচ্ছে ১.২ শতাংশ, যা খুবই কম। কিন্তু কেন এত কম? একেবারে মূল কারণ সৌদি সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস তেল বিক্রি। আর ওই তেলের মূল্য (চলতি ৩৫-৪০ ডলার থেকে) অন্তত দ্বিগুণ করা একা সৌদি সরকারের সিদ্ধান্তই যথেষ্ট। আর বিক্রি করার মতো যথেষ্ট তেলসম্পদ তার আছে। অতএব ঋণ পাওয়ার জন্য সৌদি আরব খুবই পটেনশিয়াল গ্রাহক। তাকে ঋণ দেয়ার জন্য বাজারে ঋণদাতাদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লাগার মতো গ্রাহক সে। যদিও তেলের মূল্য সৌদি আরব কম করে রেখেছে আমেরিকান শেল অয়েল বা ফ্রেকিং অয়েলের বাজার পেয়ে যাওয়া ঠেকাতে। এ ছাড়া ইরান ইস্যুতে আমেরিকার সাথে সৌদি আরবের বিদেশনীতিতে সিরিয়াস মুখোমুখি অমীমাংসীয় সঙ্ঘাত হাজির হয়েছে। সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান সৌদি যুবরাজ তুর্কি আল ফয়সলের ভাষায়, আমরা ‘এক আজীবনের সঙ্ঘাত অবস্থায় পৌঁছে গেছি’। সেটা বিস্তারিত অন্য প্রসঙ্গের আলোচনা, আজ সে দিকে যাবো না। তবে সৌদি সরকার দেরিতে হলেও এখন চাইছে তেল তোলা ও বিক্রি ছাড়াও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ ব্যবসা করে সরকারের আয় বাড়াতে। তবু তেলের দাম সহজেই বাড়ানোর দিকে যাবে না দেশটি। এই হলো, সৌদি আরবের বাজার থেকে ঋণ করার তাৎপর্য।

২৪ এপ্রিল ২০১৬
[email protected]

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫