ঢাকা, শুক্রবার,২৯ মে ২০২০

উপসম্পাদকীয়

অবিবেচক হিরো-গিরিতে নিজের পায়ে কুড়াল

গৌতম দাস

০৮ মে ২০১৬,রবিবার, ১৮:১০


গৌতম দাস

গৌতম দাস

প্রিন্ট

এক দেশ বা রাষ্ট্রের চোখে যে সন্ত্রাসবাদী বা টেররিস্ট, অন্যদের চোখে সে ফ্রিডম ফাইটার, বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের যোদ্ধা বা মুক্তির নেতা হয় কেন? এই বিতর্ক অনেক পুরনো। সন্ত্রাসবাদী কাকে বলা হবে- এই প্রশ্নের সর্বজনগ্রাহ্য সংজ্ঞা পাওয়া মুশকিল।
আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাছেও তাই টেররিজমের কোনো সংজ্ঞা নেই। এরপরও সন্ত্রাসবাদী বা টেররিস্ট শব্দ উল্লেখ করে তারা বয়ান লেখে বা আইন প্রণয়ন করে। এরপর বলে তাদের কাছে একটা ‘টেররিস্ট তালিকা’ আছে, ওখানে দেখে নিতে হবে যে কে কে টেররিস্ট। তালিকাভুক্তদের ওপর এই আইন প্রযোজ্য হবে। এই রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের চোখে কাকে কাকে টেররিস্ট মনে করা হয় এর তালিকা পাওয়া যায় বটে কিন্তু কেন তাকে তা মনে করা হয় এর কোনো ব্যাখ্যা থাকে না; সে দিতে যায় না, দেয়ার চেষ্টাও থাকে না । এভাবেই কে অথবা কী হলে কাউকে সন্ত্রাসবাদী টেররিস্ট বলা হবে এর সংজ্ঞায়নের ঝামেলা আমেরিকা এড়িয়ে থাকে। খোদ জাতিসঙ্ঘও আমেরিকার এই পথ অনুসরণ করে থাকে। অতএব সন্ত্রাসবাদ মানে কেবলই তা কারো না কারো চোখে সন্ত্রাসবাদী- এটা মনে রাখতেই হয়।
সাধারণভাবে সর্বজনগ্রাহ্য সন্ত্রাসবাদ বা সন্ত্রাসবাদীর সংজ্ঞা পাওয়া যায় না। বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের যোদ্ধা যখন কমিউনিস্টরা হতেন সেই ৫০-৮০ এর দশকে, তখনো যেমন ছিল, আজো যখন এই নেতা হন কোনো ইসলামিস্ট এখনও একই রকম আছে। ফলে এর সমাধান একটাই, কার চোখে দেখা হচ্ছে । জাতিসঙ্ঘের সভাগুলোতেও এই লড়াই চলে একইভাবে। কে কোন সংগঠন বা ব্যক্তির নাম জাতিসঙ্ঘের টেররিস্ট তালিকায় তুলতে চায় অথবা নামাতে চায়, এ নিয়ে কূটনৈতিক লড়াই।
এমনি এক লড়াইয়ে ভারত-চীন লিপ্ত হয়েছিল গত এপ্রিল ২০১৬ সাল থেকে। জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের মাধ্যমে এই টেররিস্ট তালিকা সাব্যস্ত হয় একটা কমিটির মাধমে। তা পরিচালিত হয় জাতিসঙ্ঘের ১২৬৭ নম্বর রেজুলেশন বা গৃহীত প্রস্তাবের (১২৬৭/১৯৮৯/২২৫৪ ISIL (Da'esh) and Al-Qaeda Sanctions Committee’) এর অধীনে। চীন নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী এবং ভেটো ক্ষমতাসম্পন্নদের এক সদস্য। ফলে সে সবসময়ই এই কমিটির সদস্য প্রতিনিধি। মোট ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে বাকি অস্থায়ী ১০ সদস্যও কেবল প্রতি দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকে। এ ছাড়া এর মনোনয়ন পেতে হয় আঞ্চলিক প্রার্থী হিসেবে, আঞ্চলিক লবিতে দেনাপাওনা মিটিয়ে। বর্তমানে ভারত অস্থায়ী সদস্যও নয়। উলটো রোটেশনে চীন এখন পরিষদের সভাপতি, যদিও সভাপতি হওয়াতে অলঙ্কার ছাড়া তা ১৫ সদস্যের ওপর কারো বাড়তি কোনো সুবিধা নেই। বাড়তি সুবিধা যা কিছু তা ভেটো ক্ষমতা থাকায়।
মাসুদ আজহার, পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের বিচ্ছিন্নতাকামী এক রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নেতা। বলা বাহুল্য, ভারতের চোখে সে নাম করা টেররিস্ট। ভারতের ওপর পরিচালিত প্রায় সব হামলাতেই তাকে সংশ্লিষ্ট মনে করা হয়। ভারত করে থাকে। এ ছাড়া আর এক বিশেষ কারণ আছে তা হলো, ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান প্যাসেঞ্জারসহ হাইজ্যাক করে আফগানিস্তানের কান্দাহার নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আর যাত্রীদের মুক্তির বিনিময়ে ভারতের জেলে আটক থাকা মাসুদ আজহারকে মুক্ত করে নেয়া হয়েছিল। ভারতের জনগণ হাইজ্যাকারদের দাবি মেনে এই বিনিময় করতে সরকারকে বাধ্য করেছিল বা সরকার নিরুপায় হয়ে তা করেছিল। কিন্তু সেই থেকে ভারত রাষ্ট্রের চোখে মাসুদ আজহার মানেই যেন ভারত রাষ্ট্রের জ্বলজ্বলে এক নিরাপত্তা ব্যর্থতার চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। মাসুদ আজহার ২০০০ সাল থেকে জয়শ-ই-মুহম্মদ নামের সশস্ত্র দল খুলে এর মূল পরিচালক নেতা হয়ে আছেন। এ বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভারতের পাঠানকোট সামরিক ব্যারাকে হামলার অভিযোগে বর্তমানে তিনি পাকিস্তান সরকারের গ্রেফতার হেফাজতে আছেন।
ভারত মাসুদ আজহারের নাম জাতিসঙ্ঘ টেররিস্ট লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করতে গত মার্চ মাসে আবেদন করেছিল। কিন্তু চীন গত ৩১ মার্চ ওই আবেদন ঠিক বাতিল করে দেয়নি আবার গ্রহণও করেনি। তবে টেকনিক্যাল দিক পূরণ সাপেক্ষে, তা না হওয়া পর্যন্ত আবেদন স্থগিত করে রেখেছে। ঘটনার শুরু এখান থেকে। আমেরিকার সবচেয়ে বড় পরাশক্তিগত ভূমিকার কথা সবাই জানি, যার পেছনের খুঁটি হলো তার গ্লোবাল অর্থনৈতিক সক্ষমতা। এটা চ্যালেঞ্জ হয়ে গেছে উদীয়মান চীনের কাছে অন্তত অর্থনৈতিক বিচারে। এর প্রতিক্রিয়ায় যত বেশি দিন চীনের উত্থান সর্বব্যাপী ও পরিপূর্ণ হতে বা এর অন্যান্য প্রভাব ছেয়ে বসা থেকে ঠেকিয়ে রাখা যায় এটাই এখন আমেরিকার লক্ষ্য। কিন্তু এই প্ররোচনায় পড়ে ভারত সবসময় ভুলে যায় এশিয়ার খোদ আমেরিকান স্ট্রাটেজিক স্বার্থই ভারতের সরাসরি বিরুদ্ধে। এর অর্থ জাতিসঙ্ঘের বর্তমান কাঠামো ভেঙে ভারতকে ভেটো ক্ষমতার সদস্য করার ইচ্ছা বা স্বার্থ অথবা সক্ষমতা কোনোটাই আমেরিকার নেই। ফলে ভারতকে সরাসরি চীনবিরোধী হওয়ার শর্তে জড়াতে নানা প্রলোভনে সুবিধা দিতে আমেরিকা মরিয়া আচরণ করে। আর সময়ে সময়ে ভারতও সেই প্রলোভনে পড়ে অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করে পদক্ষেপ নিয়ে ফেলে। কামড়ে বিষ নেই জানা থাকলেও অন্তত ভয় দেখাতে সাপের মতো ফোঁসফাঁস করা উচিত, করতেই হয়। তবে সেটারও একটা বিবেচনাগত দিক আছে। জায়গা বেজায়গা বা সময় বোধজ্ঞান এবং লাভালাভ বিশ্লেষণ ইত্যাদি হলো সেসব বিবেচনার বিষয়। কারণ, বিবেচনাবোধ অনুসারে কাজ না করলে সেই অস্ত্রের উলটো ফল দেবে। তেমনি এক ঘটনা ঘটেছে মাসুদ আজহারের ইস্যুতে।
ভারতের মতো চীনেরও বিচ্ছিন্নতাবাদী সমস্যা আছে। পপুলার চোখে এটা উইঘুরবাসীর সমস্যা হিসেবে দেখা হয়; এটা পাক-আফগান সীমান্তে চীনের এক প্রদেশের মুসলমান জনগোষ্ঠীর বিচ্ছিন্নতাবাদের সমস্যা। নিজ দেশে টিকতে না পেরে, আবার এই জনগোষ্ঠী যথেষ্ট শিক্ষিত বলে প্রায় সারা দুনিয়ায় এরা প্রবাসী হয়ে কোনো না কোনো সক্রিয় পেশায় লিপ্ত হয়ে আছে। ‘ওয়ার্ল্ড উইঘর কংগ্রেস’ বলে তাদের গ্লোবাল রাজনৈতিক সংগঠন আছে। ফলে পারস্পরিক যোগাযোগ সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ। এমনি এদের এক প্রবাসী নেতা হলেন ঢোলকান ঈশা, ইতোমধ্যে তিনি আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে জার্মান নাগরিকত্ব পেয়ে গেছেন। কিন্তু এই ঢোলকান ঈশা চীন রাষ্ট্রের চোখে বিচারে মারাত্মক সন্ত্রাসবাদী। আর এই ঈশাকেই (মাসুদ আজহার বিষয়ক) চীনের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা ঢিলের বদলে পাটকেল হিসেবে ভারতে আসার ভিসা ইস্যু করেছে ভারত। চীনের আরেক জনগোষ্ঠী বৌদ্ধ ধর্মগুরু দালাইলামা ও তার অনুসারীরা আছেন ভারতে। হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা জেলা ও এর আশপাশে এরা সেই ষাটের দশক থেকেই আশ্রয় নিয়ে বসবাস করে আসছে। এক আমেরিকান মানবাধিকার সংগঠন সেই ধর্মশালায় ‘চীনে গণতন্ত্র বিষয়ে’ এক কনফারেন্স ডেকেছে। ঈশার প্রকাশ্য উছিলা হলো ওই কনফারেন্সে যোগ দিতে তিনি ভারতে আসছেন।
ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মুখ্য সমস্যা হলো, যেভাবেই হোক ভোট পেতে হবে এমন ভোটের রাজনীতি। আর এ পথে গিয়ে কোনো নীতির পক্ষে থেকে শক্ত থেকে কাজ করে এমন রাজনীতি দেখতে পাওয়া অসম্ভব হয়ে গেছে। ফলে সস্তায় বাজিমাত করা, গরিব মধ্যবিত্তকে মিথ্যা অথবা উগ্র জাতীয়তাবাদী গর্বে উসকে প্রলোভন দেখানোর প্রপাগান্ডা করে থাকে। যেমন বিজেপি প্রপাগান্ডা করল যে চীন অথবা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সে কংগ্রেসের চেয়ে কামেল লড়াকু অথবা কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে একই কাজ করল। এসব সস্তা প্রপাগান্ডা চলতেই থাকে, যা প্রায়ই রাষ্ট্রস্বার্থে কোনো কাজে আসে না, বরং বিরোধী হয়ে যায় অথবা রাষ্ট্রস্বার্থের জন্য বিরাট বাধা হিসেবে হাজির হয়।
ঢোলকান ঈশাকে ভিসা ইস্যু করার পর ঠিক তাই হয়েছিল। ভারতের বিজেপি ‘চীনকে বিরাট এক হাত নিয়েছে’ বলে প্রপাগান্ডায় মেতে উঠেছিল। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে সোশাল নেটওয়ার্কে হ্যাশটাগ ‘মোদি চড় মেরেছে চীনকে’ প্রপাগান্ডা চরমে নেয়া হয়। যেন মোদি চীন জয় করে ফেলেছেন। ওদিকে ভিসা ইস্যুর খবর জেনে চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে জানায় যে, ‘ঢোলকান ঈশা চীনা পুলিশ এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশপ্রাপ্ত টেররিস্ট’। এটা জানার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভারত আরেক মেল পাঠিয়ে ঢোলকানকে ভিসা বাতিলের কথা জানিয়ে দেয়। ভিসা ইস্যু করা হয়েছিল এক দিনের মধ্যে ৬ এপ্রিল ২০১৬। আর তা প্রত্যাহার করা হয় ২৬ এপ্রিল। ইতোমধ্যে সে খবর ভারতের মিডিয়াতে ছেয়ে যায়। শুরু হয়ে যায় উলটো গান। পরাজয়ের মাকে তা কখনোই খুঁজে পাওয়া যায় না আর বিপরীতে বিজয়ের ওপর মা দাবিকারী প্রার্থীর অভাব হয় না। ঠিক তাই হলো এবার, এই দু’দিন যারা ক্রেডিট নিয়েছিল এখন দায় নেয়ার লোক নেই। চার দিকে তুমুল সমালোচনার প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। সেগুলো থেকে দুটো এখানে উল্লেখ করব। প্রথমটা কংগ্রেসের সরকার আমলের নিরাপত্তা উপদেষ্টা আমলা শিবশঙ্কর মেনন। তিনি ভিসা প্রত্যাহারের অবস্থা সৃষ্ট হবে এটা আগেই ২৪ এপ্রিল টের পেয়েছিলেন। তিনি ভারতের ইংরেজি ওয়েব ‘দৈনিক ওয়াইর’কে ২৪ এপ্রিল সংখ্যায় বলেছিলেন, ‘যদি শেষ পর্যন্ত ঈশাকে প্রবেশ করতে না দিতে পারা যায় অথবা তিনি কোনো কারণে নিজেই আসতে না পারেন তবে সে ক্ষেত্রে চীন সরকারকে আমরা ভিসা ইস্যু করে যে ম্যাসেজ দিতে চেয়েছিলাম ঠিক এর উলটো ম্যাসেজ তারা পেয়ে যাবে। আর অবশ্যই তারা বুঝে যাবে আমরা আমাদের হাতে থাকা কার্ডগুলো সঠিকভাবে খেলতে পারি না অথবা একেবারে অযোগ্য। আগে পিছে কী হবে তা আমরা যথেষ্ট ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে জানি না।’ বলা বাহুল্য মেমনের এই অনুমান সত্য হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় মন্তব্যটা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-এর একজন সাবেক বিশ্লেষক এম ভি রাপ্পাই এর। মৌলিকভাবে তিনি সরকারের অবস্থানের বিরোধিতা করলেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলছেন, ‘কেন সরকারকে মাসুদ আজহারের নাম জাতিসঙ্ঘে টেররিস্ট তালিকায় ঢুকাতে যেতে হবে। প্রথমত এর মধ্য দিয়ে তাকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ করে ফেলা হয়েছে। আর যদি তার গুরুত্ব আমাদের চোখে বাড়াবাড়ি রকমের হয়ে গেছে বলে ভেবে থাকি, তবে সেটা ছেঁটে ফেলারও অন্য অনেক তরিকা আছে। আমি মনে করি না নিরাপত্তা পরিষদের টেররিস্ট তালিকায় ঢুকাতে পারলে তা আমাদের জন্য খুব একটা কাজের কাজ হতো।’ এ ছাড়া তার চোখে আরেক গুরুত্বপূর্ণ দিকের প্রশ্ন তিনি তুলে বলছেন, ‘আমি মনে করি আজহারের সাথে উইঘুর কেসকে মিলিয়ে ফেলা, এটা খুবই বিপজ্জনক এক কাজ করা হয়েছে।’ তিনি আরো বলেছেন, ‘প্রথমত আমরা উইঘুর বিদ্রোহীদের ব্রিফকেস বওয়ার কামলা লোক হতে পারি না। এটা খুবই বিপজ্জনক। যেন ধরা যাক কোনো দেশ আমাদের নর্থ-ইস্ট নিয়ে একই কাজ করা শুরু করল।’
জায়গার স্বল্পতার জন্য আপাতত এই দুই মন্তব্যই থাক। অনেকের মনে হতে পারে উইঘুর বা মাসুদ আজহারের বিষয় নিয়ে এত বিস্তারে যাওয়ার আমাদের দরকার বা সম্পর্ক কী? সম্পর্ক হলো বিদেশনীতিতে যথেষ্ট আগেপিছে পরিণতি না ভেবে ভারতের সরকারগুলো পরিচালিত হচ্ছে। ভারতের বাংলাদেশ নীতির ক্ষেত্রেও কী একই দশা আমরা দেখছি না! ঈশার বেলায় ভিসা প্রত্যাহারের মতো সহজেই এই পথ থেকে নিজেকে প্রত্যাহারের সুযোগ সে পেয়েছিল। বাংলাদেশের বেলায় সে সুযোগ কি ভারত পাবে?
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
০৮ মে, ২০১৬

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫