ঢাকা, মঙ্গলবার,০৭ এপ্রিল ২০২০

উপসম্পাদকীয়

ভারত কি পরাশক্তি?

গৌতম দাস

২৯ জানুয়ারি ২০১৭,রবিবার, ১৮:১৭


গৌতম দাস

গৌতম দাস

প্রিন্ট

ভারতের ইন্টেলেকচুয়াল মানে চিন্তাবিদ, যারা পেশা হিসেবে তাদের বুদ্ধি ও চিন্তা পরামর্শ আকারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন, এসব বুদ্ধিজীবীর মাঝে দিনকে দিন দুটো ধারণা মিথের মতো গেড়ে বসেছে। এর একটা হলো ভারত পরাশক্তি হয়ে গেছে। ফলে সে এখন বিরাট কিছু। আর দ্বিতীয়টা হলো, অর্থনৈতিক বিচারেও ভারত একটা বিরাট শক্তি হয়ে গেছে, যেটা চীনের সাথে তুল্য এবং এ কারণে চীনের সাথে টক্কর দিতে পারে। এতে এমনিতেই যে প্রশ্নটা ওঠে- অর্থনীতিগত পরাশক্তি আর সামরিক অর্থে পরাশক্তি, এই দুই ধারণার মধ্যে সম্পর্ক কী? এর জবাবে আবার এটা সবাই মানে যে, এ দুই ধারণা পারস্পরিকভাবে সম্পর্কিত এবং খুবসম্ভবত একই ধারণার দুটো প্রকাশ। মিথিক্যাল ধারণা মানে বাস্তবে এমনটা থাক আর না-ই থাক, সেসবের ঊর্ধ্বে একটা কিংবদন্তি বিশ্বাস জন্ম নেয়। ভারতের বুদ্ধিজীবীদের মিথিক্যাল ধারণা হলো- ভারত একটা পরাশক্তি এবং সে চীনের সাথে অর্থনীতির দিক থেকে টক্কর দিতে পারে।
‘পরাশক্তি’ ধারণাকে আমরা নিতে পারি এভাবে, যখন কোনো রাষ্ট্রের প্রভাব এতই শক্তিশালী হয়ে হাজির হয় যে, গ্লোবাল ফেনোমেনাগুলোর স্তরে তা নির্ধারক, তখন ওই রাষ্ট্রকে পরাশক্তি বলতে পারি। আবার পরাশক্তি কথাটির তিন অর্থে ব্যবহার দেখা যায়। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক (স্ট্র্যাটেজিক) এ তিন অর্থে পরাশক্তি। এসব রূপের প্রাথমিক রূপ অর্থনীতিগত দিক থেকে পরাশক্তি হওয়া, যেটা বাকি সব রূপের পূর্বশর্ত। ভারতের বুদ্ধিজীবীদের ধরে নেয়া ধারণা হলো, ভারত পরাশক্তিগত ক্ষমতা ও প্রভাবের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
সম্ভবত বিশ্বাস করানো হয়েছে যে, এভাবে বলাই সঠিক হবে। বিগত শতকের শেষ প্রান্তেও ভারতের বুদ্ধিজীবীরা এমন ছিলেন না বা ভারতের বুদ্ধিবৃত্তিক দুনিয়ায় এমন চিহ্ন দেখা যায় না। ভারতে পেশা হিসেবে বুদ্ধিজীবিতা, যেমন একজন থিংকট্যাংক এক্সপার্টের দেখা পাওয়া শুরু হলোই বা কবে থেকে? কথাটা আরেকভাবে বলা যায়, ভারতীয় সমাজ-রাষ্ট্রের রিসোর্স বা সম্পদ কখন এ দিকে ঢালা হলো, যাতে কেউ একজন ‘নীতি-বিশেষজ্ঞ’ হওয়ার কথা এবং পেশা হিসেবে তা নেয়ার কথা ভাবতে পারেন? দুটো ফ্যাক্টস হলো, নতুন চলতি শতকের আগে এমন ফেনোমেনা ছিল না। তাও যতটুকু দেখা যেত তা ছিল খুবই সীমিত আকারে, যেমন থাকে সামরিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হয়ে। এর চেয়ে বড় কথা, এর বিষয়বস্তুগত রাডারও ছিল তখন খুবই সীমিত। সেটা গ্লোবাল নয়, বড়জোর আঞ্চলিক বিষয় যার সীমানা। আসলে মূল কথা হলো, থিংকট্যাংক বা নীতি-পলিসি গবেষণা ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়তে ও চালাতে মূল বিষয় যে রিসোর্স, তা একমাত্র রাষ্ট্রই সবচেয়ে সহজে জোগাতে পারে। আর ভারত রাষ্ট্রের ইকোনমি এমন লেভেলে যায়নি যে, সহজেই থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান পুষতে পারে। অথবা পোষা দরকার হয়ে গেছে, অথবা পুষলে এর উপযোগিতা বা একে উপযুক্তভাবে কাজে লাগানোর মতো পরিস্থিতি পরিপক্ব হয়েছে। আসলে ভারতের ব্যাপকভাবে থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে ২০০৫ সালের পরে, আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বুশের দ্বিতীয় টার্মে ভারত সফরের পর থেকে। অর্থাৎ ভারতের থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান বড় রিসোর্স বা ফান্ড এখনো বাইরের, মূলত আমেরিকার। এ কাজে খোদ নিজ রাষ্ট্র বড় লেভেলের ফান্ড সক্ষমতা দেখিয়েছে বলে আমরা দেখিনি। আর আমেরিকার মতো বড় অর্থনীতির রাষ্ট্র হলে সেখানে বড় করপোরেশন বা ব্যক্তির দাতব্য ফান্ডের অধীনে থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান হতে দেখি আমরা। আমেরিকার সেসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ভারতে বাড়তি শাখা অফিস বা ফান্ড নিয়ে স্থানীয় এনজিও হিসেবে চালানো অথবা ভারতের স্কলারদেরকে মাস্টার্স, পিএইচডি স্টুডেন্ট অথবা গবেষক হিসেবে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া- এভাবে ভারতে থিংকট্যাংক তৎপরতা পরিচালিত হয়। ফলে এগুলো হলো আসলে আমেরিকান রাষ্ট্রস্বার্থের চিন্তার ফ্রেমে দেখা ভারতীয় থিংকট্যাংক।
ভারতে কেন এমন হলো? এর একদম গোড়াতে যে ধারণা আছে তা হলো, এশিয়ায় আমেরিকার চীন ঠেকানো বা চীন সামলানো নীতি- ‘চায়না কনটেনমেন্ট পলিসি’ গ্রহণ করার পর থেকে। অর্থাৎ চীন (অন্তত) অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে উঠে আসছে। বিশেষত পশ্চিমকে ছাড়িয়ে পুবে এশিয়া গ্লোবাল অর্থনীতির কেন্দ্র হয়ে উঠছে। এই ফেনোমেনা আমেরিকার চোখে পড়েছে এবং নিশ্চিতভাবে এর তাৎপর্য আমেরিকার না বোঝার কোনো কারণ ছিল না। তবে আমাদের সাবধান থাকতে হবে, এটা ভারত খারাপ চীন ভালো অথবা আমেরিকা খারাপ চীন ভালো- এ ধরনের কোনো চীনপ্রীতির বিষয় মনে করা ভুল হবে। ব্যাপারটা হলো- চীন নিজের কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে ক্যাপিটালিজমের পথে, ওয়ালস্ট্রিটের ক্যাপিটালে নিজ অর্থনৈতিক বিকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩৭ বছর ধরে চীন সেই নীতিতে পরিচালিত হওয়ায় এমন কিছুই ঘটার কথা। সেটা আমেরিকার কাছে অযাচিত অথবা অজানাও ছিল না। আমেরিকার দিক থেকে স্ববিরোধী তামাসা হলো- এক দিকে এটা আমেরিকার ওয়ালস্ট্রিটের উপচে পড়া বিনিয়োগ-সক্ষমতার একটা হিল্লা হিসেবে চীনে বিনিয়োগ ঢেলে দেয়ার সুযোগ; আর অন্য দিকে এর ফলে বিচ্ছিন্ন চীনা অর্থনীতির গ্লোবাল বাণিজ্য বিনিময়ের জগতে প্রবেশ ও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়া- এ দুটোই। এগুলো শুরু থেকেই আমেরিকার কাছে ছিল সবচেয়ে কাম্য। এটা ছিল আসলে আমেরিকার কাছে প্রাণ ফিরে পাওয়ার মতো স্বস্তিদায়ক। কিন্তু অন্য দিকে এর ফলাফলে চীন আরো বড় অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠলে সেটা আমেরিকার কাছে অসহ্য হওয়ায় আমেরিকা চীন ঠেকানো বা ‘চায়না কনটেনমেন্ট পলিসি’ গ্রহণ করেছিল। সে কাজে এশিয়ার আর এক ছোট তবে সম্ভাবনাময় দেশ (অন্তত বিপুল জনসংখ্যার বাজার হওয়ার কারণে) ভারতকে আমেরিকা পিঠ চাপড়ে দিয়ে কাছে টেনে চীন ঠেকানোর পলিসির অংশ করে নেয়া হলো।
আর সে কাজেই আমেরিকার দরকার ছিল, এই কাজের পক্ষে ভারতের বুদ্ধিজীবীদের মুখ দিয়ে একটা শক্ত বয়ান খাড়া করা; ভারতীয় ইন্টেলিজেন্সিয়াকে তা বিশ্বাস করানো আর এর দামামা বাজিয়ে চলা। এরই প্রথম পাঠ হলো থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান বা এক্সপার্ট ভারতকে গড়ে দেয়া। আর এ কাজে রিসোর্স মানে ফান্ড এবং কিভাবে চিন্তা করতে হবে এর গাইড- এ দুটোই আমেরিকা সরবরাহ করেছে। ব্যাপারটা হলো, ভারতেরই থিংকট্যাংকগুলোর জন্ম নিজের প্রয়োজন অনুভবের ভেতর দিয়ে নয়, ভারতের নিজের বিকাশের স্বাভাবিক নিয়মে নয়, যেটা একসময়ে অবশ্যই হতে পারত সেভাবে নয়। বরং বাইরে থেকে অনুভব করিয়ে ভারতে থিংট্যাংক প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ বা এক্সপার্ট তৈরি করা হয়েছে। এ তো গেল প্রতিষ্ঠানগত দিক আর কিভাবে চিন্তা করবে- সে বয়ান, কী হবে এর নিয়ন্ত্রণ?
ওই দুই মিথের পেছনের আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যার সারকথা হলো- ‘ভারত, চীন তোমার দুশমন নাম্বার ওয়ান, জানি দুশমন’ এবং ‘চীন ভারতকে চার দিক দিয়ে ঘিরে ধরছে’। না, চীন ভারতের কোনো শত্রুই নয়Ñ এটা বলা এর উদ্দেশ্য নয়। বরং বলা হচ্ছে, এটা বাস্তব দশা থেকে অনুভূত কোনো ধারণা নয়, বরং ‘ঘিরে ধরছে’, ‘জানি দুশমন’Ñ এগুলো বাইরের নিয়ন্ত্রিত বয়ান, যা ভারতের ভেতরের জেনেরিক নয়। মূল কথা হলো কোল্ড ওয়ার ভেঙে পড়ার পরে একালে পুরানা ‘কোল্ড ওয়ারের জাতীয়তাবাদী’ অচল ধারণার আড়ালে এগুলো বলা হচ্ছে।
ভারতকে ‘ঘিরে ধরছে’ বা ‘জানি দুশমনের’ বয়ান শেখাচ্ছে চীন, সেই চীনের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক কী? জানি দুশমনের? নাকি গ্লোবাল বাণিজ্যে বিনিময়ের ভেতর দিয়ে চীন-আমেরিকার গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্কে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকার এবং ওয়ালস্ট্রিটের জন্য চীনের বড় কাস্টমার খাতক হয়ে থাকার? তাহলে সেই আমেরিকা ভারতকে ‘জানি দুশমন’ হিসেবে চীনকে চেনাতে আসে কী করে? ফ্যাক্টস হলো- এ কালে কোল্ড ওয়ার যুগের স্টাইলে কেউ কারো শুধুই দুশমন নয়, বরং পার্টনারও; নিজ নিজ অর্থনৈতিক উন্নতির দিক পরস্পরের জন্য দরকারি বিরাট পার্টনারের। এটা এমন অনেক কিছুর মিশ্রণ। এককাট্টা ব্লক অর্থনীতির দোস্ত অথবা দুশমন বলে এ কালে কিছু নেই। সারকথা হলো, ভারতকে চীন বরং ‘ঘিরে ধরছে’ ধরনের বয়ান আমেরিকার ছড়ানো ভিত্তিহীন প্রচারণা এবং বিশেষ উদ্দেশ্যে ছড়ানো।
বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতার ভিত্তি জনগণ নয়, ভারতের শক্তি- এটা কোনো অপ্রতিষ্ঠিত তথ্য বা ভারতের এক্সপার্টদের অজানা তথ্য নয়। ওদিকে ভারতের বুদ্ধিজীবীদের বয়ান যে জেনেরিক নয়, আমেরিকান বয়ান ফেরি করা, এটা তারা ভুলে গেলেও চীনা প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সময় এবার তারা নিজেদের স্ববিরোধ আবিষ্কার করেছে। চীনা প্রেসিডেন্টের সফরের আগের দিন এনডিটিভিসহ মিডিয়া ও থিংকট্যাংক এক্সপার্টদের মধ্যে বিরাট বিতর্কের দুর্বোধ্য ইস্যু ছিল- চীন ভারতের এক নম্বর জানি দুশমন আর বাংলাদেশ তো ভারতেরই- এটা তারা জন্ম দিয়েছে। তাহলে চীনা প্রেসিডেন্টের এই সফর আর চীনের বিপুল বিনিয়োগের খবর- এটা সম্ভব হয় কী করে? ভারতের ডাঙ্গায় চীন আসে কী করে? এর কোনো সদুত্তর দিতে কিংবা মীমাংসায় তারা পৌঁছতে পারেননি। তবুও আত্মতুষ্টি তো লাগবে। তাই ওই টকশোর শেষে তারা সবাই একমত যে, ব্যাপারটা হলো ভারতের বিদেশে বিনিয়োগে অক্ষমতার। বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগ সক্ষমতা হলো দুই বিলিয়ন ডলারের আর চীনের কুড়ির ওপরে। তাহলে তো এ রকম হবেই। এই হলো সেই আত্মসান্ত্বনা।
এর মানে, আমেরিকান শেখানো বয়ানের ঘোর তাদের এতই যে, তবু তারা কোনো বেসিক ফ্যাক্টসের দিকে যেতে পারলেন না। ফ্যাক্টস হলো, ভারতের দুই বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশের জন্য কোনো আকাক্সিক্ষত বিনিয়োগ নয়। ভারতের দিক থেকেও এটা ঠিক বিনিয়োগ পুঁজি নয়। বরং এই ফান্ড হলো ভারতের টাটার স্টিলের তৈরি অবিক্রীত পণ্য রাষ্ট্রীয় সহায়তায় পড়শি দেশে বিক্রির ফান্ড; এটা অন্য রাষ্ট্রকে বিনিয়োগ দেয়ার লক্ষ্যে ভারতের বিনিয়োগ ফান্ড নয়। একে ঋণের নামে বাংলাদেশের ঘাড়ে চড়িয়ে টাটাকে উদ্ধার করা এর লক্ষ্য। আর একটা মূল কথা হলো, ভারত এখনো অন্য দেশকে বিনিয়োগ দেয়ার মতো রাষ্ট্র নয়, বরং বিনিয়োগ গ্রহণের অর্থনীতির রাষ্ট্র নিজেই। আরেকটা ফ্যাক্টস হলো, চীন এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের বিনিয়োগদাতা নয়, প্রকল্পের কন্ট্রাক্টর। তবে এখন থেকে হয়তো বিনিয়োগদাতা হতে যাচ্ছে তারা। ফলে ব্যাপারটি যত সস্তা জাতীয়তাবাদী বুঝ দিয়ে তারা বুঝতে চাচ্ছে, ব্যাপারটা তা নয়। আর ভারতের বুদ্ধিজীবীদের মিথ, ভারত যদি অর্থনৈতিক পরাশক্তি হয়ে থাকে, তবে বিদেশে তার অবকাঠামো বিনিয়োগ সক্ষমতা নেই কেন?
ইদানীং ভারতের কিছু ‘সচেতন’ বুদ্ধিজীবী নতুন এক তত্ত্ব এনেছেন। বলছেন, এশিয়ায় (মানে বাংলাদেশে) ‘চীন ও ভারতের দাপট বাড়ছে। ফলে ছোট দেশগুলোকে চাপের মুখে এ দুই দেশের আধিপত্য মেনে নিতে’ হচ্ছে বন্ধুত্ব রক্ষার নামে। এটা হলো, সহানুভূতি মাখানো সাফাই হাজির করার নামে ভুয়া ‘ফুটানি’। আসলে এই বয়ানও ভারতের নয়, আমেরিকার। এই বয়ান কপি করে বলার উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে যে ভারতের শক্তি সুষ্ঠু সরকার কায়েম করে রাখা হয়েছে, এর পক্ষে সাফাই তৈরি।
এভাবে আর কত দিন? কত আত্মপ্রবঞ্চনা? সম্ভবত মুখথুবড়ে পড়ার দিন আসন্ন। বাস্তবতা হলো, অন্যের অস্ত্রের বলে পরাশক্তি হওয়া যায় না। হওয়ার কথা না। এটা প্রথমত নিজ অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর তৈরি করতে হয়।

লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
[email protected]

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫