ঢাকা, মঙ্গলবার,৩১ মার্চ ২০২০

অ্যাথলেটিকস

দেশকে স্বর্ণ দিতে চান আলিদা

ক্রীড়া প্রতিবেদক

১০ মে ২০১৭,বুধবার, ২১:৫৪


প্রিন্ট

প্রবাসী বাংলাদেশী সাইক সিজার, জামাল ভূঁইয়ার পর এবার আলিদা সিকদার বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেবেন কোনো আন্তর্জাতিক আসরে। তবে কোনো মহিলা অ্যাথলেটের অংশ নেয়া এটাই প্রথম। জামাল ভূঁইয়া খেলেছেন ফুটবল, সাইক সিজার অংশ নিয়েছেন লন্ডন অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমস ও ইনচন এশিয়ান গেমসে জিমন্যাস্টিক ডিসিপ্লিনে। আর এবার আলিদা অংশ নেবেন লংজাম্প ও ১০০ মিটার স্প্রিন্টে। যেটি ১২ মে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে আজারবাইজানের বাকুতে। ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে বাংলাদেশের হয়ে স্বর্ণজয়ের প্রত্যাশা করছেন এই তরুণী।
নয়া দিগন্তকে এক ইন্টারভিউতে আলিদা জানান, ‘আমি খুব এক্সাইডেট। অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য। বাকুর প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি। লস অ্যাঞ্জেলসে বেশ ভালো কয়েকজন বিশ্বমানের অ্যাথলেটদের সাথে অনুশীলন করছি। একমাত্র টার্গেট হচ্ছে এই গেমস থেকে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণপদক জয় করা। লংজাম্পে আমার ব্যক্তিগত রেকর্ড ১৯.৪ ফুট আর ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সময় নিয়েছি ১২.১ সেকেন্ড। একজন প্রবাসী বাংলাদেশী হিসেবে আমি গর্বিত। আমি চাই আমার দেশের পতাকাকে সবাই চিনুক ও জানুক। আমার কোচ বলেছে, আমি একজন সাহসী অ্যাথলেট, যে কিনা সব সময় সেরা থেকে স্বর্ণপদক জিততে চায়। অলিম্পিকে সিলভার ও গোল্ড মেডেলিস্ট আন্দ্রে দেগ্রাস ও অ্যালিসন ফেলিক্স আমার সাথে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। সলিডারিটি গেমসের পর কমনওয়েলথ গেমসেও পদক জেতা আমার লক্ষ্য।’
৬ মে আমেরিকা থেকে ঘুরে এলেন অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নতুন সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকিব মন্টু। তবে তার ভ্রমণ অ্যাথলেটিকসকে ঘিরে। অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকিব মন্টু বলেন, ‘আলিদার সাথে কথা বলে মনে হয়েছে সে খুব আত্মবিশ্বাসী। আজারবাইজানে পদক আনার ব্যাপারে দৃঢ়প্রত্যয়ী। কমনওয়েলথ ও সাফের জন্য সে এখন থেকেই প্রস্তুত হচ্ছে। তার আগে সলিডারিটি গেমসকে প্রাথমিক ধাপ হিসেবে নিয়েছে। ওখানে (আমেরিকা) সাবেক অ্যাথলেট সাইদুর রব, বিমল চন্দ্র তরফদার, শাহ জালাল মবিন, শাহান উদ্দিনসহ অনেকেই ছিলেন। সবাই পদকের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।’
আলিদা সম্বন্ধে তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকার মতো উন্নত দেশে থাকার পরও তার দেশপ্রেম অনেক বেশি। দেশকে স্বর্ণ এনে দেয়ার জন্য সে গত সাত মাস অ্যাকাডেমি থেকে একদিনের জন্যও ছুটি নেয়নি। আধ ঘণ্টার ড্রাইভে তার বাসা থাকা সত্ত্বে¡ও সে বাড়িতে বাবা-মাকে দেখতে যায়নি। বরং তার বাবা-মা এসে অ্যাকাডেমিতে দেখা করেছে। তার অনুশীলন না দেখলেও তার কথাবার্তায় যা বুঝলাম তাতে আমরাও ভালো কিছু আশা করছি। সবচেয়ে বড় কথা হলো দেশের অ্যাথলেটদের মধ্যেও সাড়া পড়েছে। তারা আলিদা থেকেও ভালো করার চেষ্টা করছে।’

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫