ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৮ মে ২০২০

থেরাপি

চড়ের নানামুখী ইতিবাচক কারণ

তারেকুর রহমান

২২ মার্চ ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আমরা নানা সময় রাগের মাথায় অনেককে চড় দিয়ে থাকি। এই চড়ের কারণে কত যে সমস্যায় পড়তে হয়; কিন্তু আপনি যদি চড়ের বিষয়টাকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরতে পারেন তবে কোনো সমস্যায়ই পড়তে হবে না।
ষ আসলে আমি ছেলেটিকে মারিনি। ওর গায়ে একটু হাত বুলিয়ে দিয়েছি। ওকে দেখে আমার খুব মায়া হয়েছে তাই তার মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিয়েছি।
ষ ছেলেটার দুই গালে দুইটা মশা বসেছে। এটা দেখে সহ্য করতে পারিনি তাই মশা মারতে গিয়েই ওর গালে দুইটা চড় দিয়েছি।
ষ একটা চড়ের ওজন কত হতে পারে এরকম একটা অঙ্ক করানোর জন্যই ওকে মেরেছি। আসলে ওকে মারিনি ওটা ছিল প্র্যাকটিকাল অঙ্ক করানো।
ষ ছেলেটা আমার বেশ পরিচিত। আমরা একটা খেলা খেলছিলাম। আমি তাকে একটা চড় দেবো, সে আমাকে একটা চড় দেবে। তবে আমার চড়গুলো একটু বেশি লেগেছে ওর।
ষ ওর নাকি পুরো শরীর অবশ হয়ে আসছে। শুনে আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। তাই তার পুরো শরীরে মৃদু আঘাত করি। দেখি কোনো চেতনা হচ্ছে না। পরে জোরে আঘাত করি। তখন একটু লেগেছে।
ষ পড়ার সময় ও বসে বসে খেলা দেখছে। ওকে বললাম, বাসায় গিয়ে পড়তে বসতে। ও বলে যাবে না। তখন একটু শাসন করেছি। আর কিছু না।
ষ ওর পাশে বসা মেয়েটার দিকে খুব খারাপ দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল। আমি এটা মানতে পারিনি তাই একটু বকা দিই ও উলটা আমাকে বকা দিয়ে বলে আমার কী আসে যায়। আমি সহ্য করতে পারিনি। তাই একটু...
ষ ছেলেটার ঘাড় ব্যথা করছিল। সারা দিন ফেসবুক ইউজ করতে করতে আর ঘাড় সোজা করতে পারছিল না। আমাকে বলার সাথে সাথে আমি ঘাড় মেসেজ করে দিই। আমার আবার দিল নরম। মানুষের রিকোয়েস্ট ফেলতে পারি না।
ষ চড় দিলে শব্দ হয়। ফলে শব্দদূষণ হতে পারে। কিরকম চড় দিলে আওয়াজ কম হতে পারে তার একটা এক্সপেরিমেন্ট করলাম। যেন দেশ জাতিকে শব্দদূষণের হাত থেকে বাঁচাতে পারি।
ষ ওর গালে ময়লা লেগে আছে। হাত দিয়ে মুছে দিলাম; কিন্তু ময়লাগুলো তার পরও লেগে আছে। বিষয়টা একদম ভালো ঠেকছে না। তাই একটু জোরেই মুখে আঘাত করে ময়লাগুলো ফেলে দিই। শেষপর্যন্ত আমি সফল হয়েছি।
ষ একটু ঠাণ্ডা লাগলেই ওর নাক মুখ কান ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কান গরম করার জন্য কানের নিচে কষে কয়েকটা চড় লাগিয়ে দিয়েছি। মুহূর্তের মধ্যেই কানসহ সারা শরীর গরম হয়ে গেল।
ষ নিয়মিত মুখের ব্যায়াম করতে হয়। না হয় নানা সমস্যায় পড়তে হয়। ছেলেটাকে মুখের ব্যায়ামে উদ্বুদ্ধ করার জন্য হালকা আঘাত দিয়ে মুখের ব্যায়ামের উদ্বোধন করলাম।
ষ ও আসলেই এত বেশি বকবক করছে আশপাশে সবার খুব ডিস্টার্ব হচ্ছিল। তার বকাবকির সুইচ অফ করা দরকার ছিল। হালকা করে একটা চড় দিলাম। বাহ পিনপতন নীরবতা নেমে এলো।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫