ঢাকা, মঙ্গলবার,৩১ মার্চ ২০২০

উপমহাদেশ

ভারতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫০, আরো ঝড়ের পূর্বাভাস

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৪ মে ২০১৮,শুক্রবার, ১২:০৮ | আপডেট: ০৪ মে ২০১৮,শুক্রবার, ১৭:২৯


প্রিন্ট
ঝড়ের তাণ্ডবে নিহত ১২৫, আরো ঝড়ের পূর্বাভাস

ঝড়ের তাণ্ডবে নিহত ১২৫, আরো ঝড়ের পূর্বাভাস

ভারতের উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থানে প্রবল ধূলিঝড়ে এখন পর্যন্ত ১৫০ জন নিহত হয়েছে। ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতে বহু গ্রাম তছনছ হয়ে গেছে। উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থানে ঝড়ে বিদ্যুৎ চলে গেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত হয়েছে, গাছপালা উপড়ে গেছে, ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে, দেয়াল ধসে গেছে, অনেকে আহত হয়েছেন এবং অনেক পশু মারা গেছে। ধূলিঝড় ও বজ্রপাতে বাড়ি ধসে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নিহতদের বেশির ভাগই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন।

উত্তর প্রদেশের আগ্রা জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাজস্থান রাজ্যের আলওয়ার, ভারতপুর ও ধলপুরে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে আবহাওয়ার আরো অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ২ এপ্রিল, বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া ঝড় ও বজ্রপাতে ভারতের উত্তরাঞ্চলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এর আগে ধূলিঝড়ে প্রথমে রাজস্থানে ২৭ জনের মৃত্যুর খবর জানা যায়।

উত্তর প্রদেশের ত্রাণ কমিশনার কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মাঝে ঝড়ের কারণে হতাহতের সংখ্যা এবারই সবচেয়ে বেশি। আগামী কিছুদিনে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

রবিবারের আগেই আরো বড় এলাকা জুড়ে প্রবল ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দফতর। লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলেছে রাজ্য ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয়। শুক্রবার ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে বিস্তৃত আকারে ঝড় হতে পারে।

এ ঘটনায় টুইটারে এক বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি টুইটারে প্রাণহানির ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছেন। উত্তর প্রদেশের রাজ্য সরকার নিহতদের পরিবার প্রতি ৪ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছে। দক্ষিণের রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশেও ঝড় হয়েছে। অনেকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

রাজস্থান রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সচিব হেমন্ত গেরা বলেন, ‘আমি ২০ বছর ধরে চাকরি করছি। এ রকম খারাপ অবস্থা কখনো দেখিনি। আমরা ১১ এপ্রিল ধূলিঝড়ের আশঙ্কা করেছিলাম, যাতে ১৯ জন নিহত হয়। কিন্তু এবার রাতে অনেক মানুষ ঘুমিয়ে ছিল, যার ফলে বাড়ি থেকে বের হতে পারেনি। মাটির দেয়াল তাদের ওপর ধসে পড়ে।’

সূত্র : বিবিসি ও এএফপি

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫