ঢাকা, মঙ্গলবার,৩১ মার্চ ২০২০

উপমহাদেশ

পাকিস্তানে আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে চীন

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৭ মে ২০১৮,সোমবার, ০৭:০৬


প্রিন্ট
পাকিস্তানে আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে চীন

পাকিস্তানে আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে চীন

পাকিস্তানে যেভাবে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে তাতে আগামী দিনে আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে যাবে চীন। চীনের ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ বাণিজ্যিক রুটের জন্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার যাচ্ছে পাকিস্তানে। তাদের পরিকাঠামোকে আরো চাঙ্গা করতেই এহেন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

আমেরিকা ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষাপটে চীন ২০ কোটি জনসংখ্যার প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রমশ সম্পর্ক জোরদার করছে। আর এজন্যে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) নির্মাণের জন্য প্রায় ৫৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ ও অর্থায়নের মাধ্যমে এই নতুন মাত্রার সূচনা ঘটে।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, পাকিস্তানে প্রত্যক্ষ মার্কিন বিনিয়োগ ২০১৩ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০৫ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে প্রতিবেশী চীন থেকে এসেছে ১.৮২ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের অর্থনীতিতে প্রায় এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থায় নিয়ে যেতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে চাঙ্গা করার এই পরিকল্পনাটি প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের।

চীন রেল, বন্দর ও মহাসড়কের মাধ্যমে মধ্য এশিয়া ও ইউরোপে বাণিজ্যে জোয়ার সৃষ্টির লক্ষ্যে সিল্ক রোড নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। চীন তার প্রতিবেশী পাকিস্তানে তার অবস্থান ক্রমাগত জোরদারও করছে। গত তিন বছরে রেকর্ড ৭৭টি চীনা কোম্পানি পাকিস্তানে ঘাঁটি তৈরি করেছেন। এমনকি, পাকিস্তানের একাধিক সংস্থায় টাকা ঢালছে চীন। এমনকি, পাকিস্তান রেল থেকে বিদ্যুৎ খাতে কয়েক কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে চীন। চীন যেভাবে পাকিস্তানের মাটিতে বিনিয়োগ করছে তাতে পাকিস্তানের মাটিতে ক্রমশ আধিপত্য কমছে আমেরিকার।

অন্যদিকে, চীন যেভাবে পাকিস্তানের মাটিতে আধিপত্য বাড়াচ্ছে তাতে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতেরও। কারণ, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে যে চীন এসে দাঁড়াবে সেটাই স্বাভাবিক।


পাকিস্তানে কয়লাখনি বিস্ফোরণে নিহত ২৩
এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও সিনহুয়া


পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে শনিবার দুটি কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ ও ধসে ২৩ জন নিহত ও আরো ১৩ জন আহত হয়েছে। বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার কাছে মারওয়া এলাকার পীর ইসমাইলের একটি কয়লাখনিতে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) উদ্ধারকারী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৬ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে।

কর্মকর্তারা প্রথমে ওই খনিতে ১৬ জনের মৃত্যুর কথা জানান এবং বলেন, খনির ভেতরে আরো ৫ জন আটকা পড়ে আছে, তাই মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। এ দিকে কোয়েটার কাছে মারগিত এলাকায় গ্যাস বিস্ফোরণে একটি কয়লাখনি ধসে দুইজন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের মারগিত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের কর্মকর্তারা বলেন, আহতদের অধিকাংশের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। অবস্থার অবনতি ঘটায় চারজনকে কোয়েটার সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অধিকাংশ শ্রমিকের বাড়ি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের শাংলা জেলার একটি গ্রামে। উদ্ধারকর্মীরা নিখোঁজ দুই শ্রমিকের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫