ঢাকা, মঙ্গলবার,৩১ মার্চ ২০২০

উপমহাদেশ

বিয়ে করছেন রাহুল গান্ধী!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৭ মে ২০১৮,সোমবার, ১৩:৩৩


প্রিন্ট
বিয়ে করছেন রাহুল গান্ধী!

বিয়ে করছেন রাহুল গান্ধী!

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বিধানসভা ভোটে আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। সেখানেই এখন প্রচারে ব্যস্ত রয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিন্তু, ভোট নয়, অন্য একটি খবরে সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়েছেন রাহুল।

গত শনিবার থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল সাইটে খবর ছড়িয়েছে, রায়বেরিলির বিধায়ক অদিতি সিংয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে রবিবার আসরে নামলেন খোদ অদিতি। জানা গিয়েছে, মে মাসে রাহুল-অদিতির বিয়ে হবে এই গুজব সবার আগে রায়বেরিলির একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেয়া হয়। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে তা বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ছড়িয়ে যায়।

এদিন ক্ষুব্ধ অদিতি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এমন ভিত্তিহীন গুজবে আমি মর্মাহত হয়েছি। রাহুলজি আমার বড় ভাইয়ের মতো। আমি তার হাতে রাখিও বাঁধি। আমার এবং রাহুলজির চরিত্র কালিমালিপ্ত করার উদ্দেশেই এই গুজব ছড়ানো হয়েছে।’

একই সঙ্গে বছর তিরিশের এই বিধায়কের অনুমান, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তার বিয়ের খবর উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হয়ে থাকতে পারে। কর্ণাটকের ভোট থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই কেউ এটা করেছে বলে মত তার। পরে ট্যুইটারেও তিনি হিন্দিতে লেখেন, ‘রাহুল গান্ধীজি মেরে রাখিওয়ালে ভাই হ্যায়। ইয়ে আফওয়া মাত্র হ্যায়।’

উল্লেখ্য, রায়বেরিলির পাঁচবারের জয়ী বিধায়ক অখিলেশ সিংয়ের কন্যা অদিতি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত।

পিরামলের মুকেশ-কন্যার বাগদান, বিয়ে ডিসেম্বরে

কথায় বলে যমজ সন্তানদের নাকি একসঙ্গে খিদে পায়, একসঙ্গে কান্না পায়, একসঙ্গে হাসিও পায়। সেই রীতি মানলে বিয়েটাই বা বাদ যায় কেন! না, বাদ দিতে রাজি নয় আম্বানি পরিবার। তাই মেয়ে প্রেম প্রস্তাবে সম্মতি জানানোর সঙ্গে সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করা হল যমজ ভাইয়ের বিয়ের মাসেই। চলতি বছরের ডিসেম্বরে।

মুকেশ এবং নীতা আম্বানির ছেলে আকাশের বিয়ে বাল্যবন্ধু শ্লোকা মেহতার সঙ্গে ডিসেম্বর মাসে, এখবর ইতিমধ্যে আম্বানি পরিবার থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। গোয়ায় জাঁকজমক করে দু’জনের বাগদান পর্বও সম্পন্ন। আর রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হল, আকাশের যমজ বোন ইশার বিয়ে ঠিক হয়েছে ডিসেম্বর মাসে। যমজ ভাইবোনের বিয়ে এক মাসে। আম্বানি পরিবারে তাই এখন জোড়া বিয়ের ধুম।

পিরামল গোষ্ঠীর সঙ্গে আম্বানি পরিবারের সম্পর্ক চার দশকের পুরনো। ব্যবসায়িক গণ্ডি তা ছাড়িয়েছিল অনেক আগেই। এবার সেই সম্পর্ক পারিবারিক হতে চলেছে। স্বাতী এবং অজয় পিরামলের ছেলে আনন্দের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন ইশা। আকাশ-শ্লোকার মতো তাদের সম্পর্কটাও বেশ পুরনো। জানা গেছে, সম্প্রতি মহাবালেশ্বরের এক মন্দিরে বছর ছাব্বিশের ইশাকে প্রেম নিবেদন করেন আনন্দ। আর ইশা তা গ্রহণ করতেই খুশির হাওয়া দুই পরিবারে। জমকালো করে তা উদযাপনও করা হয়েছে যৌথভাবে। উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের সব সদস্য। সেখানেই বিয়ের মাস ঠিক হয়।

পাত্র-পাত্রীর বায়োডেটাও চোখে তাক লাগানোর মতো। আন্তর্জাতিক সংস্থা পিরামল গ্রুপের ডিরেক্টর হওয়ার পাশাপাশি, পিরামল রিয়েলটির প্রতিষ্ঠাতা আনন্দ। তবে তার আগে পিরামল স্বাস্থ্য প্রকল্পের ব্যাপক জনপ্রিয়তায় খ্যাতির শিখরে ওঠেন পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিকে স্নাতক এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের এমবিএ আনন্দ। জনপ্রিয়তা এতটাই যে, ইন্ডিয়ান মার্চেন্ট চেম্বারের যুব শাখার সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে বেছে নেয়া হয় তাকে। আর ইয়েল ইউনিভার্সিটি থেকে মনস্তত্ত্ব এবং সাউথ এশিয়ান স্টাডিজে স্নাতক ইশা বর্তমানে রিলায়েন্স জিও এবং রিলায়েন্স রিটেলের বোর্ড সদস্য। পাশাপাশি স্ট্যান্ডফোর্ডের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব বিজনেস থেকে চলতি বছরে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পূর্ণ করতে চলেছেন তিনি।

তবে উদ্যোগপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পিছনে যে মুকেশ আম্বানিই রয়েছেন, তা অকপটে স্বীকার করেছেন আনন্দ। কেরিয়ার সম্পর্কে তাকে মুকেশের পরামর্শ ছিল, ‘ক্রিকেট নিয়ে বক্তব্য রাখলেই ক্রিকেটার হওয়া যায় না। তার জন্য প্রয়োজন মাঠে নেমে খেলা।’ সেই পরামর্শ মেনেই আজ আনন্দের সফল উত্তরণ।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫