ঢাকা, মঙ্গলবার,০২ জুন ২০২০

উপসম্পাদকীয়

আসাদের পরীক্ষার সময় কি আসন্ন?

মো: বজলুর রশীদ

১৩ মে ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

এখন আমেরিকা-শিবিরে যুদ্ধের দামামা বাজছে। রণতরী সিরিয়ার ১০০ মাইলের ভেতরে অবস্থান করছে। যেকোনো সময় চরম অবস্থা ঘনিয়ে আসতে পারে। ২০১৭, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ৫৯টি টমাহক মিসাইল নিপে করে ফলে একশত সাধারণ লোক নিহত হয়েছিল ও সিরিয়ার অন্তত ২০টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল। এই আক্রমণের নির্দেশ এসেছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে, যিনি নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, হিলারি কিনটন মধ্যপ্রাচ্যকে তছনছ করে দিয়েছে। তার আমলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংস হয়েছে। তিনি মতায় গেলে মধ্যপ্রাচ্যের নীতি পাল্টাবেন।
ট্রাম্পের মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় সিরিয়াও ছিল। সিরিয়ার উদ্বাস্তু, সর্বহারা অসহায় মানুষের জন্য আমেরিকা অনেক আগেই দরজা বন্ধ করেছে। এ কাজের জন্য ট্রাম্প ‘জাতীয়তাবাদী’ খেতাব যেমন পেয়েছেন তেমনি ‘মুসলিমবিদ্বেষী’ ও ‘ইসলামফোবিক প্রেসিডেন্ট’ নামও কুড়িয়েছেন। সিরিয়ায় রাশিয়া শক্ত ঘাঁটি তৈরি করুক আমেরিকা তা চায় না। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ল্য আসাদ ও ইরানকে ঘায়েল করা। আমেরিকার ধারণা ছিল সিরিয়া সরকার বিদ্রোহীদের কখনও দমন করতে পারবে না। যুদ্ধ চলতেই থাকবে, মানুষ মরতেই থাকবে। কিন্তু বাশার সরকার, রাশিয়া ও ইরান তড়িঘড়ি করে বিদ্রোহীদের নির্মূল করতে চেয়েছে ও অনেকাংশে সফল হয়েছে।
সিরিয়ায় হামলা করার জন্য আমেরিকার অনেক কারণ আছে। যেমন ১. পেট্রোডলার ইস্যু। ২. ম্যাককেইন ইস্যু, তাকে ‘ডিপ স্টেট’ প্রেসিডেন্ট ও ‘ওয়ার সেলসম্যান’ বলা হয়। আমেরিকার ‘ওয়ার ইন্ডাস্ট্রি’কে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব তার। যুদ্ধ বাধানো ও অস্ত্র বিক্রি তার প্রধান কাজ। তিনি ‘মৃত্যুর দূত’ হিসেবেও খ্যাত। ৩. ইসরাইল ইস্যু, কয়েক দশক ধরে সিরিয়াকে ধ্বংস করার জন্য চেষ্টা করে আসছে। ইসরাইল সিরিয়ার দখল নিতে চায় এবং অনুগত সরকার বসাতে চায় যারা ইসরাইলকে জবাবদিহি করবে। ৪. সিআইএ’র পরিকল্পনা, ১৯৮৬ সাল থেকে সিরিয়ায় সরকার পতনের জন্য চেষ্টা করে আসছে। এই বিষয়টি আসাদের নজরে আনা দরকার ছিল। তাহলে হয়তো আরব বসন্তের প্রথমেই যে বিােভ শুরু হয়েছিল সেখানে বলপ্রয়োগ না করে আলোচনার পথে চললে অনেক সমস্যার সমাধান হতো। ৫. মুসলিম ব্রাদারহুড ইস্যু, ১৯৮০ সালে আসাদ মুসলিম ব্রাদারহুডকে প্রায় শেষ করে দেয়। একই নীতির অনুসারী হয়েও এখন সৌদি আরব আসাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করছে! ৬. তুরস্ক ইস্যু, এরদোগান বলেছেন, আসাদকে বিদায় নিতে হবে। তুরস্ক ুব্ধ এ জন্য যে, আফরিন অভিযানে সিরিয়ার সেনাবাহিনী সরাসরি তুর্কী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছে। সিরিয়ার আফরিন এখন তুরস্কের দখলে। বিরাট এক এলাকায় সেফ জোন করতে চায় তুরস্ক।
সে দিন ৭ এপ্রিল ২০১৮ আবার পূর্ব গৌথায় রাসায়নিক হামলা চালানো হয়। ইরান ও রাশিয়া যুক্তি দেখিয়েছেন, বিদ্রোহীরা কয়েকবার বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার করে সাধারণ ও সেনা লোকজনকে হত্যা করেছে। তারা এই প্রচার করেছে যে হামলার পেছনে সিরিয়া সরকার রয়েছে। সিরিয়া সরকারের সব রাসায়নিক অস্ত্র জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে ২০১৩ সালে পরিষ্কার করে নিয়ে নেয়া হয়। এখন ‘সন্ত্রাসীরা’ কার্বন মনো-অক্সাইড, কোরিন ও সেরিন গ্যাস ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে ‘মিথ্য সংবাদ’ বা ফেক নিউজ ছড়িয়েছে। সন্ত্রাসীরা চায় আমেরিকা সিরিয়ায় আক্রমণ করুক। ২০১৭ সালের হামলা সম্পর্কে জন ম্যাটিস মনে করেন, যেসব দলিল পেশ করা হয়েছে তাতে আসাদ সরকার রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে তা প্রমাণিত হয়নি। যদি এবারো তা প্রমাণিত না হয় তবে অনুরূপ ঘটনা সিরিয়ায় বারবার ঘটবে। কেননা ইসরাইল বিদ্রোহীদের ‘রাসায়নিক অস্ত্র’ সরবরাহ করে আসছে।
এখন আমেরিকা আরেকবার রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে। একটি বিষয় লণীয় মার্চের ২৯, ২০১৮ ট্রাম্প বলেন যে আইএসের বিরুদ্ধে যথেষ্ট ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে। এখন আমেরিকার সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা উচিত। তার পরই চলতি এপ্রিলের ৭ তারিখ রাসায়নিক হামলার খবর পাওয়া যায়, যেখানে ৪০-৭০ জন নিহত হয়। পরদিন ট্রাম্প বলেন, ‘এই হামলার জন্য রাশিয়া ও ইরান দায়ী তারা জানোয়ার আসাদকে সহায়তা দিচ্ছে।’ এখন যেকোনো মূল্যে আসাদকে তাড়াতে হবে। প্রয়োজনে আমেরিকা সিরিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালাবে। আসাদের এখন দুটি উপায়। সপরিবারে রাশিয়া, ইরান বা অন্য কোথাও পলায়ন করে আত্মরা করা নতুবা মৃত্যুবরণ করার জন্য প্রস্তুত থাকা। নিক্কি হ্যালি যেভাবে ও যে ভাষায় কথা বলছেন তাতে বোঝা যায় বাসার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়তে আমেরিকা-ব্রিটিশ-ফ্রান্স-ইসরাইল বাহিনী যৌথ হামলা চালানোর জন্য অপো করে আছে। জাতিসঙ্ঘে নিক্কি হ্যালি বলেছেন, ‘জাতিসঙ্ঘ কোনো ব্যবস্থা না নিলে আমেরিকা একাই বাসার সরকারের বিরুদ্ধে নামবে।’ এ বাহিনী কামিয়াব হলে সিরিয়ার মাটিতে তুরস্ক, রাশিয়া ও ইরানি সেনাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গৃহীত হতে পারে। রাশিয়া প্রতিরোধ করলে বড় ধরনের যুদ্ধ েেত্র পরিণত হতে পারে সিরিয়া। এ দিকে রাশিয়াও বহু আগে থেকে সিরিয়ায় সব ধরনের সমরাস্ত্র সমাবেশ করে রেখেছে।
ট্রাম্প ও আমেরিকার সেনাবাহিনী বলেছে, তারা আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। বাস্তবে এখন সেটি সঠিক নয়। পূর্ব সিরিয়ায়, ইরাক সীমান্তে এই মুহূর্তে তিন হাজারের ওপর আইএস রয়েছে। ইউফ্রেটিসের উত্তরে আমেরিকার শক্ত সেনাঘাঁটি রয়েছে। পেন্টাগন সেখানে আরও চার হাজার সেনা মোতায়েন করতে চায়। তাদের সাথে আইএসের এখনোকোনো সংঘর্ষ হয়নি। আফরিন থেকে তুর্কি সেনারা মানবিজের দিকে যাচ্ছে। আমেরিকান সেনারা কুর্দি ও আইএস সেনাদের তুর্কি সেনাদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য অপো করে আছে। এর মধ্যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে যে, ব্রিটিশ সেনারা সিরিয়ার যুদ্ধে অংশ নেবে। খুব সম্ভব ব্রিটিশ-আমেরিকার যৌথবাহিনী তুর্কি সেনাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এমন হলে তুরস্কের এক লম্বা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ভয় রয়েছে। আফরিন ফ্রি সিরিয়ান আর্মির হাতে ছেড়ে দিয়ে তুর্কিদের নিজ ভূখণ্ডে ফিরে আসা উত্তম মনে করা হচ্ছে।
রাশিয়ার কাছে আলেপ্পোর ভূ-কৌশলগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ট্রাম্প মতা গ্রহণের আগেই আলেপ্পো তথা সিরিয়ার ওপর রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি বলে পুতিন মনে করতেন। রাশিয়া এই নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে না পারলে তার সামরিক বাহিনী, বিমানঘাঁটি, নৌঘাঁটি, ব্যবসা, তেল ও অর্থনীতি সবই তিগ্রস্ত হবে। তাই মধ্যপ্রাচ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য রাশিয়া তাড়াহুড়ো করেছে এবং সিরিয়ায় শক্ত ঘাঁটি করেছে। সিরিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনীতি এখন ইরানের চেয়ে রাশিয়ারই বেশি।
সিরিয়ায় হামিমিম ও তারতুস সামরিক ঘাঁটিতে রাশিয়ার পেণাস্ত্র প্রতিরাব্যবস্থা এস-৪০০ মোতায়েন রয়েছে। রুশ দৈনিক ‘ইজভেস্তিয়া’ জানায় যে, ২০১৭ সালে যদি রাশিয়া টমাহক পেণাস্ত্র ধ্বংস করত তবে রুশ মার্কিন যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত। ইরানের সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ জানিয়েছে, ২০১৭ সালে যে বিমানঘাঁটি থেকে হামলা চালিয়ে ইসরাইলি জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছিল সেই বিমানঘাঁটিতেই হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। সেখানে মার্কিন হামলা থেকে এটা স্পষ্ট যে, ওই হামলায় ইসরাইলের সরাসরি ইন্ধন ছিল। শুধু হামলায় নয় বরং ঘাঁটি নির্বাচনের েেত্রও ইসরাইল আমেরিকাকে উসকানি দিয়েছে। তারা আরও জানায়, ঘাঁটিটিকে টার্গেট করতে ইহুদিবাদী ইসরাইলের পরামর্শে রাসায়নিক হামলা চালিয়ে সেই হামলার দায় সিরিয়া সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালানো হয়েছে।
সিএনএন’র এক রিপোর্টে জানা যায়, সিরিয়ায় আগামী আরও কয়েক বছর যুদ্ধের দুর্দশা লেগে থাকবে। যুদ্ধ তখনই শেষ হয়, যখন আশপাশের যুদ্ধ থেমে যায় এবং অর্থ ও অস্ত্র ফুরিয়ে আসে। কিন্তু সিরিয়ায় এসবের জোগানদাতার অভাব নেই। হিজবুল্লাহর পর বাসারের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান, তারপর ইরাকের আধাসামরিক বাহিনী। ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রেখেছে রাশিয়া। অন্য দিকে বাসারবিরোধীরা পশ্চিমা মিত্রদের পাশাপাশি সহযোগিতা পেয়েছে তুরস্ক, আলকায়েদা ও আইএসসহ আরও অনেকের। ফলে সিরিয়াবাসীর দুঃখগাথার নতুন নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। মানুষ মরছে, উদ্বাস্তু বাড়ছেÑ পুরনো সঙ্কট ফিরে আসবে নতুন করে।
যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক হামলা চালায় তবে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া ভয়াবহ সঙ্ঘাতের সূচনা হতে পারে। বাসার আল আসাদের পতন হলে দেশটিতে লিবিয়ার মতো কিংবা তার চেয়েও খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। সিরিয়া ও আরব বিশ্বে ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসবে।
এটা এমন এক যুদ্ধ যা আঞ্চলিক রাজনীতিকে বিষাক্ত করে ফেলেছে এবং বিশ্ব মতার ভারসাম্য বিনষ্ট করেছে। আরব বিশ্বে বিভেদের রাজনীতি তীব্রতর হয়েছে। ফলে সিরিয়া ও পার্শ্ববর্তী দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব শক্তিগুলো ‘টেরোরিজম’ উত্থানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে। বলতে গেলে মাত্র তিন বছর আগেও সিরিয়ায় কোনো দায়েশ ছিল না অথচ দায়েশ এখন সিরিয়ায় একটি শক্তি। বর্তমান সিরিয়া যেখানে দাঁড়িয়ে তাতে কোনো সহজ সমাধান দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। যদিও আসাদ মনে করেছিল, রাশিয়া, ইরান ও হিজবুল্লাহর সহায়তায় বিদ্রোহীদের সম্পূর্ণ নির্মূল করে যুদ্ধে জয়ী হবেন।
অবস্থা এখন এতটাই সঙ্গিন যে, ১১ এপ্রিল থেকে কোনো বেসামরিক বিমান সিরিয়ার আকাশ ব্যবহার করছে না। ইসরাইলি মন্ত্রী মি. গ্যালান্ট বলে আসছেন, আসাদ ‘লাল লাইন’ অতিক্রম করেছেন, তাকে হত্যা করার সময় এসেছে। সাবেক কংগ্রেসম্যান রনপল বলেছেন, আসাদ নয় নিউকনরা, যারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি যুদ্ধ চায়, তারা রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে। রনপল শান্তি ও প্রগতি ইনস্টিটিউটের (Ron Paul Institute for Peace and Prosperity) প্রতিষ্ঠাতা। আমেরিকার নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডোনাল্ড কুক মিসাইল বোঝাই করে, অন্যান্য যুদ্ধ জাহাজসহ ৮ এপ্রিল সাইপ্রাস থেকে সিরিয়া অভিমুখে রওনা দিয়েছে। তারতুস থেকে এখন মাত্র ১০০ মাইল দূরে এগুলো অবস্থান নিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়াকে মিসাইল হামলা থেকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে। পুতিন বলেছেন, রাশিয়া মিসাইল বিধ্বংসী পেণাস্ত্র ব্যবহার, ‘লঞ্চিং প্যাডেও’ হামলা চালাবে এবং আর কোনো আক্রমণকে মেনে নেয়া হবে না। ট্রাম্পের পরমাণু চুক্তি বাতিলের পরপরই ইরান গোলান মালভূমিতে ইসরাইলি অবস্থানে মিসাইল হামলা চালায়, এতে হতাহতের খবর কেউ দেয়নি। তবে ইসরাইলের পাল্টা হামলায় সিরিয়ার রাডার স্টেশন, আকাশ প্রতিরা স্থাপনা ও সামরিক ভাণ্ডার তিগ্রস্ত হয়েছে।
আমেরিকা যুদ্ধে নামার জন্য প্রস্তুত। বারাক ওবামার সময়ও এমন অবস্থা ছিল। ট্রাম্প, ওবামা আমলের সব কিছু একটা একটা বাতিল করছেন শুধু সিরিয়া-আক্রমণ এজেন্ডা মেনে চলছেন। আসলে এটি ইসরাইলের এজেন্ডা। তাই সব প্রেসিডেন্টই সমর্থন করছেন। আসল উদ্দেশ্য হলো আসাদকে মতাচ্যুত করা ও শেষ সম্পদটুকু আহরণ করা। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করলে সিরিয়ায় মানবিক বিপর্যের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হবে। ভবিষ্যতের সরকার দেশ শাসনের মতো কোনো সম্পদ পাবে না। কোনো প্রশাসন কাজ করার পরিবেশ পাবে না। দেশটি হয়তো ভাগবাটোয়ারা হয়ে খণ্ড বিখণ্ড হয়ে যাবে। আসাদ বিদায় হবেন এবং সিরিয়া পরিপূর্ণ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।হ
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব
বাংলাদেশ সরকার ও গ্রন্থকার

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫