ঢাকা, শুক্রবার,২৯ মে ২০২০

রাজনীতি

কোন দল থেকে নির্বাচন করবেন লতিফ সিদ্দিকী?

মালেক আদনান টাঙ্গাইল

১৪ মে ২০১৮,সোমবার, ১৭:৩৫


প্রিন্ট
মালেক আদনান টাঙ্গাইল

মালেক আদনান টাঙ্গাইল

আওয়ামী লীগ এবং মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী আবার রাজনীতিতে সরব হচ্ছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতারও আভাস দিয়েছেন তিনি। দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হলেও তিনি মনে করেন প্রকৃতপক্ষে দল তাকে ছাড়েনি এবং তিনিও দলকে ছাড়েননি। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর রাজনৈকি দৃশ্যপট থেকে আড়ালে থাকলেও জনগণ এখনো তার সাথেই আছেন বলে তার দাবি। এ কারণেই তিনি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে চাইছেন। গত ৫ মে কালিহাতীতে এক ইউপি চেয়ারম্যানের গণসংবর্ধনা সভায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তিনি এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন।


২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হজ, মহানবী সা: ও তাবলিগ জামাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে কটূক্তি করে ফেঁসে যান আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। দেশে ও দেশের বাইরে তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন ও ইসলামিক সংগঠনগুলো লতিফ সিদ্দিকীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ২২টি মামলা হয়। এর মধ্যে ১৭ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে তিনি দেশে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। গত ২৯ জুন তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পান। দেশব্যাপী তুমুল আন্দোলনের মুখে তার মন্ত্রিত্ব কেড়ে নিয়ে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।


দীর্ঘ দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল- লতিফ সিদ্দিকী আবার রাজনীতিতে আসছেন এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন। গত ৫ মে তিনি সেটাই জানান দিলেন। নতুন করে তার রাজনীতিতে সরব হওয়ার বিষয়টি এখন অনেক পরিষ্কার বলে মনে করছেন কালিহাতীর ভোটাররা। তবে তিনি নৌকার টিকিট নিয়ে আসবেন নাকি স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ভোটারদের মতে, লতিফ সিদ্দিকী নির্বাচনে এলে কালিহাতীর সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাবে। সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকার টিকিট পেতে নেতাদের মধ্যে যে অসম প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তখন তা আর থাকবে না।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫